শিলচর পুরভোটের আগে বিজেপিতে বড় শাস্তি, সাসপেন্ড ৪, বহিষ্কার ১২

< 1 - মিনিট |

দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কাছাড়ের ১৬ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা; ৪২ ওয়ার্ডের পুরভোটে ৩৮টিতে প্রার্থী বিজেপির

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

শিলচর: শিলচর পুরনিগমের প্রথম নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কাছাড় জেলায় ১৬ জন দলীয় পদাধিকারীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিল বিজেপি। অসম বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়ার নির্দেশে চার জনকে সাসপেন্ড এবং ১২ জনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সাসপেন্ড হওয়া চার জন হলেন—৩১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপিয়ুষ চৌধুরী, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সপ্তদীপ চক্রবর্তী ওরফে বাবু, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের জয়জ্যোতি দে এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ডের মধুমিতা পাল।

দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ১২ জনকে। তাঁরা হলেন—২ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীদীপু সিনহা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকা মণ্ডল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সন্দীপ দত্ত, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের রথীন্দ্রনাথ সাহা ওরফে মাধব, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গীতা চক্রবর্তী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নৃপেন্দ্রনারায়ণ ঠাকুর, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মানিশা দে, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের রাখি চৌধুরী, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাহেলি দেব, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের দেবাশিস রায়, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের লর্ড শিবা এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের অনুপমা দাস।

দলীয় নির্দেশে জানানো হয়েছে, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, তা নির্দেশে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি।

পুরভোটের আগে কড়া বার্তা

শিলচর পুরনিগমের প্রথম নির্বাচন ঘিরে বিজেপি ৪২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৮টিতে প্রার্থী দিয়েছে। দলের দুই প্রার্থী ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে দলের সরকারি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সদস্যদেরও শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছিল বিজেপি। ভোটের মুখে ১৬ জনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়াকে সেই অবস্থানেরই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে সাসপেন্ড ও বহিষ্কৃত সদস্যদের বক্তব্য কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা নির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

শিলচর পুরনিগমের এই নির্বাচন শহরের নতুন পুর প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম ভোট। ফলে প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি দলীয় সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় স্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখাও নির্বাচনের আগে বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *