ত্রিপুরায় ২৮ সেপ্টেম্বর গ্রাম কমিটি ভোট, প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন

< 1 - মিনিট |

৪৪টি ব্লকের ১,০৯৫টি কেন্দ্রে ভোট; প্রায় ৬.৬৫ লক্ষ ভোটারের জন্য মোতায়েন ৭,৩০০ ভোটকর্মী, নিরাপত্তায় ৭৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

আগরতলা:ত্রিপুরায় ২৮ সেপ্টেম্বরের গ্রাম কমিটি নির্বাচন ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের ৪৪টি ব্লকের ১,০৯৫টি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। প্রায় ৬.৬৫ লক্ষ ভোটার এই নির্বাচনে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছে কমিশন।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব অনুরাগ সেন শনিবার জানান, ভোটের জন্য প্রায় ৭,৩০০ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে ৭৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী বা সিএপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় টহল, নজরদারি এবং এলাকা নিয়ন্ত্রণের কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

প্রাথমিক ভাবে মোট ১,৫৫০টি ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছিল। তার মধ্যে ১,০৯৫টি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। শনিবার সংশ্লিষ্ট ব্লকগুলিতে ভোটের সরঞ্জাম পরীক্ষা ও বণ্টনের কাজ চলে। ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটকর্মীরা নিজেদের নির্ধারিত কেন্দ্রে রওনা হবেন।

কমিশন জানিয়েছে, সেক্টর আধিকারিকদের ভোটকর্মীদের নিরাপদে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে থাকবে রাজ্য পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তাকর্মী। ভোটের জন্য ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপারও নিরাপত্তার সঙ্গে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর ভোট শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়ম মেনে ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনী নথি সিল করে সংশ্লিষ্ট গ্রহণকেন্দ্রে জমা দেওয়া হবে। প্রতিটি ব্লকের জন্য একটি করে মোট ৪৪টি স্ট্রংরুম এবং ৪৪টি গণনাকেন্দ্রও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

গ্রাম কমিটি নির্বাচনের পাশাপাশি ত্রিপুরায় আসন্ন নগর স্থানীয় সংস্থার নির্বাচন নিয়েও প্রস্তুতি চালাচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ৭৮৩টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এই নির্বাচনের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। ১ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানো যাবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে ১৫ অক্টোবর।

গ্রাম কমিটি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহণের প্রস্তুতির পাশাপাশি নগর স্থানীয় সংস্থার ভোটের জন্য ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কমিশন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *