ইসরোর নেট্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৈরি হবে ‘আইএসটিআরএসি অ্যাডভান্সড রাডার রিসার্চ ফ্যাসিলিটি’। রাডার এবং অপটিক্যাল টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাকাশে থাকা বিভিন্ন বস্তুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও শনাক্ত করার কাজে এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
গুয়াহাটি:মহাকাশ গবেষণায় অসমের পরিকাঠামোয় নতুন সংযোজন হতে চলেছে। গুয়াহাটির কাছে চন্দ্রপুরে ইসরোর ইসরাক-এর অত্যাধুনিক রাডার গবেষণা কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। সোমবার ভূমিপুজনের পর প্রকল্পটির শিলান্যাস করা হয়।
ইসরোর নেট্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৈরি হবে ‘আইএসটিআরএসি অ্যাডভান্সড রাডার রিসার্চ ফ্যাসিলিটি’। রাডার এবং অপটিক্যাল টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাকাশে থাকা বিভিন্ন বস্তুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও শনাক্ত করার কাজে এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। একই সঙ্গে ভারতের মহাকাশ সম্পদের নজরদারি ও সুরক্ষা ব্যবস্থাকেও আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রকল্পটির জন্য অসম সরকার প্রায় ২০০ বিঘা জমি দিয়েছে। রাজ্যে এত বড় মহাকাশ গবেষণা পরিকাঠামো গড়ে ওঠাকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অসমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইসরোর এই প্রকল্পের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইসরোর নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। তাঁর বক্তব্য, চন্দ্রপুরের এই কেন্দ্রের মাধ্যমে জাতীয় মহাকাশ গবেষণার মানচিত্রে অসমের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, একসময় অশান্তির সঙ্গে যুক্ত থাকা অসম এখন নতুন প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টির দিকে এগোচ্ছে। চন্দ্রপুরের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নেট্রা কর্মসূচির আওতায় মহাকাশে উপগ্রহ ও অন্যান্য বস্তুর অবস্থান এবং গতিপথ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। চন্দ্রপুরের কেন্দ্রটি সেই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতের মহাকাশ সম্পদ পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণার পাশাপাশি অসমে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


