‘কান খুলে শুনুন’, রাহুলকে নিশানা বীরেনের, জেএনইউয়ের পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা

< 1 - মিনিট |

যৌন হেনস্থার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির সুপারিশের পর কংগ্রেস সাংসদ বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, জবাবদিহি নিয়ে রাহুলকে প্রশ্ন প্রাক্তন মণিপুর মুখ্যমন্ত্রীর

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

ইম্ফল: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) কংগ্রেস সাংসদ বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ঘিরে এবার রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন মণিপুরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। যৌন হেনস্থার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির সুপারিশে আকোইজামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেস নেতৃত্বের জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

শুক্রবার সমাজমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে রাহুলকে উদ্দেশ্য করে বীরেন লেখেন, ‘কান খুলে শুনুন’। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে গুরুতর যৌন হেনস্থার অভিযোগের মুখে থাকা কাউকে আশ্রয় দেওয়ার পরিণতি রয়েছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা ফৌজদারি দায় সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

আকোইজামের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদক্ষেপের প্রসঙ্গ তুলে রাহুল গান্ধীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানতে চান, কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে রাহুল কোনও ব্যবস্থা নেবেন কি না। জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিরোধী দলনেতার পদ থেকেও রাহুলের ইস্তফা দেওয়া উচিত কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন বীরেন।

এর পাশাপাশি মণিপুরে হিংসার ঘটনা নিয়ে রাহুল গান্ধীর আগের অবস্থানের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। বীরেনের বক্তব্য, মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা এবং সংসদে অচলাবস্থার ঘটনাও সেই রাজনৈতিক সংঘাতের অংশ ছিল।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, মণিপুরের পরিস্থিতিকে যেভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছিল, তাতে রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক দলের কাছে যে জবাবদিহি দাবি করা হয়, একই মানদণ্ড নিজেদের দলের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা উচিত।

জেএনইউয়ের পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে যৌন হেনস্থার অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির সুপারিশ এবং ফৌজদারি দায়—এই তিনটি বিষয় এক নয়। অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য না থাকায় বিষয়টিকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা জরুরি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *