১) রাহুল গান্ধীর বাড়িতে দিল্লি পুলিশ/রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বললো কংগ্রেস
২) পাকিস্তানি জঙ্গি নেতা অমৃত পাল সিং এখনো পলাতক/আদালতে তোলা হলো তার ৭ সঙ্গিকে
৩) কিছু অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দেশদ্রোহী কাজ করছেন/মন্তব্য কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1 – কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বাড়িতে আজ পুলিশ পৌঁছেছে। ভারত জড়ো যাত্রার পরে জম্মু-কাশ্মীরে এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। মহিলাদের বিরুদ্ধে যৌন উৎপীড়ন হচ্ছে এই মন্তব্য করেছিলেন রাহুল গান্ধী। পুলিশ তার কাছে জানতে চাইছে কোন কোন মহিলার উপর যৌন উৎপীড়ন হয়েছে।
সংবাদ 2 – রাহুল গান্ধীকে নোটিশ দেওয়া ও তার বাড়িতে পুলিশ যাওয়াটা হল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা বললেন কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি ও জয়রাম রমেশ। অভিষেক মনু সিংভি বলেন, ভারত জড়ো যাত্রার সময় রাহুল গান্ধী হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। অনেকের অভিযোগ শুনেছেন। এরমধ্যে মহিলারাও আছেন। এখন কি তিনি সবার নাম মনে রাখতে পারবেন। একজন বড় মাপের নেতার পক্ষে এটা কোনভাবে সম্ভব নয়।আর এ ধরনের প্রশ্ন পুলিশ আর কতজনকে করেছে এটাও একটা বড় প্রশ্ন। তারা এই অভিযানকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার একটা প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেন। এছাড়া রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের ৪৫ দিন পর দিল্লী পুলিশের মনে পড়ল বিষয়টা?এই মন্তব্য করে তারা।
সংবাদ 3 – খালি স্থান পন্থী জঙ্গি নেতা অমৃত পালকে এখনো খুঁজছে পুলিশ। যেখানে সে আত্মগোপন করে আছে সেই গ্রামটি পুরো ঘেরে ফেলা হয়েছে। সাবধানতার জন্য সারা পাঞ্জাব জুড়ে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পাঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে পাকিস্তান থেকে খালিস্তানের সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়াচ্ছে। তাই আগামী কুড়ি তারিখ পর্যন্ত পাঞ্জাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে। অমৃত পালের চার সতীর্থকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এদের এখন এন আই এর দায়িত্বে রেখে ডিব্রুগড়ে পাঠানো হয়েছে।
সংবাদ 4 – ভারত বিরোধী কার্যকলাপের শামিল হয়েছেন কিছু অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তাদের রেহাই দেওয়া হবে না এই মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরণ রিজিজু। তিনি বলেন, কিছু বিচারপতি এমনভাবে কাজ করছেন যেন তারা দেশ বিরোধী। এটার জন্য ফল ভোগ করতে হবে। কার্যত হুমকির সুরেই এই কথা বলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী।
সংবাদ 5 – কোন মন্তব্য করার সময় যে কোন সাংসদকে কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়। দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে মন্তব্য করা ঠিক নয়। রাহুল গান্ধী প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। বিদেশে ভারতের সম্মান নষ্ট করেছেন শুধু এটাই নয়, রাহুল গান্ধী দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। এর জন্য তার ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।


