এক নজরে বরাক
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1 – আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে ৯ কাটা জমির উপর নার্সারি করেছিলেন এক উদ্যমি ব্যক্তি। এখন ৪ বিঘা ৮ কাটা জুড়ে রয়েছে নার্সারি। শুধু তা নয়, এই নার্সারির মাধ্যমেই এলাকার পরিবেশ সবুজ রঙে আলোকিত হয়েছে। সোনাই সৈয়দপুর চতুর্থ খন্ডের মাউন্ট কার্মেল স্কুল সংলগ্ন সুমা নার্সারির স্বতাধিকার জুনাইদ আহমেদ লস্কর প্রতিবেদককে জানান, এই নার্সারিতে ফল, ফুলের পর্যাপ্ত চারা গাছ রয়েছে। এখান থেকে বরাক উপত্যকা সহ রাজ্যের বাহিরেও চারাগুলো সরবরাহ হয়ে থাকে। বাড়িঘর, স্কুল, সরকারি কার্যালয় বা যে কোনো প্রতিষ্ঠানকে সবুজ রঙে সাজাতে পর্যাপ্ত চারা গাছ রয়েছে।
প্রতিদিন ১৫ জন শ্রমিকের কাজের ফলে নার্সারির উন্নতি হচ্ছে।তিনি জানান, ১৯৯২ সালে তার বাবা নিজাম উদ্দিন লস্কর সুমা নার্সারির শুরু করেছিলেন। আজ নার্সারি প্রতিষ্ঠিত হয়ে মাদার প্লান্টের জন্য আরও দুইটি নার্সারি খোলা হয়েছে। এদিকে, সুমা নার্সারির প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন লস্কর বলেন, তিল তিল করে কিভাবে এই নার্সারিটি গড়ে ছিলেন। সবুজ রঙের এই নার্সারিটি সফল হয়ে উঠতে সরকারি তরফে সাহায্য পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ 2- এক অমানবিক ঘটনা সংঘটিত হলো করিমগঞ্জ শহর সংলগ্ন কানিশাইলে। পারিবারিক বিবাদের জেরে ১৩ মাসের দুধের শিশুকে ইট দিয়ে মারধর করল ঠাকুমা জাহানারা বেগম ও পিসি জাসমিন বেগম। শিশুর মা ও বাবার বয়ান মতে বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবি করে আসছেন শাশুড়ি জাহানারা। এনিয়ে বারকয়েক বিচার আচার হয়েছে। শিশুর মা আরো বলেন শাশুড়ি না কি বার বার মারধর করেন এমন কি ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া দেন নি। একই ভাবে শুক্রবার ১৩ মাসের শিশুটিকে ইট দিয়ে আগাত করেন শাশুড়ি জাহানারা। পরে শিশুরটির মা ও বাবা শিশুটিকে করিমগঞ্জ সিভিল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ন্যায় বিচারের জন্য করিমগঞ্জের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকৰ্ষণ করছেন তারা।
সংবাদ 3 – এনপিএস বাতিলের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভ কর্মসূচি করিমগঞ্জে। শুক্রবার করিমগঞ্জ সি জি এম ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের কর্মচারীরা ধর্মঘটে বসেন। এনপিএস বাতিল করা এবং ওপিএস আবার বহাল রাখার দাবিতে সারা আসামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে করিমগঞ্জে কর্মসূচি পালন করা হয়। দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
সংবাদ 4 – শুক্রবার দুপুরে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের দিগরখাল হাইস্কুলের পাশে একটি ট্যাঙ্কার থেকে প্রায় ষাট বস্তা বার্মিজ সুপারি আটক করল পুলিশ। অভিনব উপায়ে ট্যাঙ্কারের তিনটি চ্যাম্বারের উপর থেকে আলাদা ভাবে মোটা পাইপ লাগিয়ে ওই পাইপগুলির পাশে সুপারি ভর্তি বস্তা রাখার জায়গা করা হয়েছিল। উপর থেকে দেখলে শুধু পেট্রল বা ডিজেল ভরার পাইপই মনে হচ্ছিল। ওসি বিপুল বিশ্বাস ও এসআই সুমন দে অনেক কসরৎ করে এই পাইপগুলির নাট বোল্ট খুললেই বেরিয়ে আসে এগুলির পাশে থরে থরে সাজানো রয়েছে বার্মিজ সুপারি ভর্তি বস্তা।

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
সংবাদ 5 – গত ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাতে জালালপুর হাসপাতালে যে অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটেছে তার মূল খলনায়ক কনক নাথ ওরফে রুনুু নাথ।কুশিয়ারকুল জিপি সভানেত্রীর স্বামী কনক নাথ ওই রাতে প্রায় দেড় কিলোমিটার দুরের জনৈক সুধীর দাসকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে হাসপাতালের গন্ডগোলে জড়িয়েছেন। বর্তমানে পুলিশ সুধীরকে গ্রেফতার করলেও ঘটনার মূল কান্ডারী কনক নাথ এখনও বহাল তবিয়তে ঘোরাঘুরি করছেন।
এই অভিযোগ করলেন তালকরগ্রান্ট গ্রামের জনগন তথা অভিযুক্ত সুধীর দাসের পরিবার। শুক্রবার তালকরগ্রান্টে এক সাংবাদিক সন্মেলন আয়োজন করে শীঘ্রই কনক নাথ ওরফে রুনু নাথকে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিনের সাংবাদিক সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুকুমার দাস, সুনীল দাস, অধীর দাস, কৌশিক দাস, শুক্কুর চৌধুরী, শ্যামল দাস, আশা দাস, উষা দে দাস, সীমান্ত চেতনা মঞ্চের পুলক দাস প্রমুখ।
সংবাদ 6 – মণিপুর সীমান্তে অসমে বসবাসকারীদের নদীপথে যাত্রী সহ মৎস্যজীবীদের হেনস্থার সুবিচার চেয়ে কাছাড়ের জেলা শাসককে স্মারকলিপি প্রদান করল বরাক উজানের গ্রামবাসীরা। লক্ষীপুর বিধানসভার বরাক উজানের স্থায়ী গ্রামবাসী দীর্ঘদিন যাবৎ নদীপথে পারাপার সহ মৎস্য চাষ করতে গিয়ে জিরিমুখে মণিপুর পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার হয়ে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।এরই পরিপ্রেক্ষিতে বরাক উজানের গ্রামবাসীরা শুক্রবার শিলচর স্থিত শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তীর পাদদেশে জমায়েত হয়ে মণিপুর পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সাব্যস্ত করেন।
সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গ্রামবাসীরা এদিন জানান যে, নদীপথে নিজ বাড়িতে আসা যাওয়া করতে হলে মণিপুরের জিরিমুখ পুলিশ ইনার লাইন পারমিটের নামে নৌযাত্রী সহ মৎজীবীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে। মৎস্য শিকারের জন্য মৎস্যজীবীদের কাছে আসাম সরকারের অনুমতি পত্র থাকা সত্ত্বেও মণিপুর পুলিশ মৎস্যজীবীদের শিকার করা মাছ ছিনিয়ে নিচ্ছে। দীর্ঘদিন থেকে মণিপুর পুলিশ কাছাড়ের লোকদের নদীপথে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করে আসছে বলেও এদিন অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
সংবাদ 7- প্রতিবারের মতো এবারও লায়ন্স ক্লাব শিলচর সেণ্ট্রালের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত হচ্ছে গণবিবাহ আসর। শুক্রবার শিলচরে এক সাংবাদিক সন্মেলন ডেকে ক্লাবের কর্মকর্তারা সিগন্যাচার প্রজেক্টের অধীন ১৯ তম গণ বিবাহ আসরের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।ক্লাবের চেয়ারম্যান লায়ন অংশু কুমার রায় জানান, এবছরের আসরে মোট ৮ জোড়া বর কনে অংশ নেবেন।১২ ফেব্রুয়ারি আসরের কার্যক্রম শুরু হবে সকাল ৮ টা থেকে। তাছাড়াও দিনভর থাকবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের ধামাইল নৃত্য, গান বাজনার অনুষ্ঠান সহ খাবার আসর।এদিন সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কানাই লাল কংসবণিক, যশবন্ত দাস, প্রদীপ বণিক, শমীক সাহা প্রমুখ।


