এক নজরে বরাক
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1 – মঙ্গলবার ১৭টি সন্দেহজনক বার্মিজ গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কাটিগড়া পুলিশ। কাছাড় জেলার কাটিগড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চেরাগি বাজার সংলগ্ন লাঠিমারা গ্রাম থেকে এগুলো আটক করতে সক্ষম হয়েছে। গোপন সুত্রের খবরের ভিত্তিতে কাটিগড়া থানার ওসি নব কুমার শইকিয়া, এস আই এল চিংচং বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এদিন লাঠিমারা এলাকা থেকে গরু গুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে থানায় উপস্থিত হয়ে কাছাড় এসপি নুমান মাহাতো পাচারকারীদের দুদিনের মধ্যে গ্রেফতার করা হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।
সংবাদ 2- হঠাৎ করে বরাক ব্রিজের উপর একটা জেনারেটরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠলো। মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্কিত জনগণ ভিড় জমান। ঘটনাটি মঙ্গলবার সংঘটিত হয়েছে ছয় নম্বর জাতীয় সড়কের কাটিগড়া-বদরপুর সংযোগ স্থাপনকারী বরাক ব্রিজের উপর। কাটিগড়া থেকে বদরপুর অভিমুখে একটা ট্রাক্টরে করে জেনারেটরটি নিয়ে যাওয়ার পথে বরাক ব্রিজ অতিক্রম করার সময় হঠাৎ জেনারেটরে প্রচণ্ড ধোয়া উঠতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে জ্বলে উঠে জেনারেটর। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। সঙ্গে সঙ্গে বদরপুর থেকে দমকল বাহিনী ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনার ফলে বেশ কিছুক্ষণ ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
সংবাদ 3 – মঙ্গলবার কাছাড় জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ রোধে কাটিগড়া জিপি কার্যালয় প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কাছাড়ের জেলাশাসক রোহন কুমার ঝাঁ, এসপি নুমান মাহাতো, এডিসি, এডিশনাল এসপি সুব্রত সেন, সার্কেল অফিসার মিনার্ভা দেবী আরাম্বাম, বিডিও অন্তরা পাল, ওসি নব কুমার শইকিয়া, ডা: সুমন ভৌমিক, ডা: মঞ্জুরুল হক প্রমুখ। বক্তারা বাল্য বিবাহের কুফল তুলে ধরে এবং এর রোধে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। সভা শেষে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। এরআগে কাটিগড়া মডেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন জেলাশাসক রোহন কুমার ঝাঁ সহ অন্যরা।
সংবাদ 4- কাটিগড়া বাজার এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে চার কার্টুন বিদেশি মদ উদ্ধার করার পাশাপাশি এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কাটিগড়া পুলিশ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাটিগড়া থানার ওসি নবকুমার শইকিয়া দলবল নিয়ে কাটিগড়া বাজার এলাকায় হানা দিয়ে কাজল সেন (৫৫) নামক জনৈক ব্যক্তিকে আটক করে তার কাছ থেকে চার কার্টুন বিদেশি মদ উদ্ধার করেছেন। জানা গেছে কাজল সেনের বাড়ি কাটিগড়া বাজার এলাকায়।
সংবাদ 5 – মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে করিমগঞ্জের নেতাজি মেলা বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানালেন কিছু সংখ্যক পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক। মেলা হোক তাতে আপত্তি নেই, তবে ছাত্রছাত্রীদের কথাও ভাবা উচিত, কারণ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফলের আশায় ছাত্রছাত্রীরা ক-মান থেকে পড়াশোনা শুরু করে আজ দশম শ্রেণিতে এসে পৌঁছেছে। আর এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসার পর এই মেলার জন্য যদি মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে খামতি দেখা দেয় তাহলে এর চাইতে আর কষ্টের কিছু হতে পারে না। এমনটাই সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা এ ব্যাপারে জেলা শাসক মৃদুল যাদব এবং করিমগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্র চন্দ্র দেবের হাতে একটি স্মারকপত্র তুলে দিয়েছেন বলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন।

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
সংবাদ 6- সরকারের জল জীবন মিশন ব্যর্থ হলো ধলাই বিধানসভা কেন্দ্রের পানীভরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। পানীভরা বাজার সংলগ্ন কালীবাড়ি রোডের প্রাইমারি হেল্থ সাব সেন্টারের পার্শ্ববর্তী লোকরা বিশুদ্ধ পানীয়জল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। দুবছর আগে পানীয়জল সরবরাহের জন্য জল প্রকল্পের হাইড্রেন বসানোর পরও আজ পর্যন্ত বিশুদ্ধ পানীয়জল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। অপর দিকে পুকুরের জলও শুকিয়ে যাচ্ছে। কয়েকটি পুকুর শুকিয়ে গেছে। পানীয়জল কিনে পান করতে হচ্ছে।
সংবাদ 7 – দিগরখাল পাথর কোয়ারি এখন অবৈধ পাথর পাচার চলছে। একাংশ সিন্ডিকেট মাফিয়া ও সরকারি আধিকারিকদের যোগসাজসে চলছে পাথর লুণ্ঠন রাজ। এদিকে দিগরখাল পাথর কোয়ারি তিনটি ভাগে বিভক্ত, গ্রুপ এ গ্রুপ বি ও গ্রুপ সি । সরকার কেবলমাত্র গ্রুপ এ থেকে পাথর তুলতে মহালদারদের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু সরকারি এই নীতি নির্দেশিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে গোটা ব্যবস্থা সিন্ডিকেট মাফিয়া ও একাংশ সরকারি আধিকারিকদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অন্তত এমনটাই দাবি করছে । নির্দেশিকা অনুযায়ী গ্রুপ ‘এ’ থেকে পাথর তোলার কথা থাকলেও কোয়ারির অন্য দুটি গ্রুপ থেকেও চলছে নিত্য পাথর সংগ্রহ। এদিকে সরকারি বিভাগের কর্মসংস্কৃতির অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে দিগরখাল রেঞ্জ অফিস। কার্যালয়ে আধিকারিকদের উপস্থিতি তো দূরের কথা, কার্যালয়ে তালা ঝুলে দিনের পর দিন ধরে। এক কথায় কোথাও কোন বিভাগীয় তৎপরতা নেই বললেই চলে।
এদিকে কালাইনের পরিচিত ব্যবসায়ী তথা গ্রুপ ‘এ’র মহালদার নীলু পাল এই গোটা অবৈধ কর্মকান্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন একাংশ বিভাগীয় আধিকারিকদের মদতে । এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ প্রতিদিন কম করেও ৬০ থেকে ৭০ টি গাড়ি অবৈধভাবে পাথর সংগ্রহ করছে। গাড়ি পিছু ৮০০ থেকে হাজার টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কিন্তু নেই কোনও বৈধ চালান । ফলে একাধারে পরিবেশ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি সরকারি কোষাগার বিধ্বস্ত হচ্ছে দিনের পর দিন।


