এক নজরে বরাক
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1- শিলচরেও শুক্রবার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের অন্যায়ভাবে ঘরে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের মূল্য ৫০ টাকা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের মূল্য ৩৫০ টাকা বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এস ইউ সি আই ( কমিউনিস্ট ) দল। দলের কৰ্মী, সমর্থকরা বেনার, প্লেকাৰ্ড নিয়ে দুপুর বারোটা নাগাদ শহিদ ক্ষুদিরাম মূর্তির পাদদেশে জড়ো হয়ে অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে অত্যধিক হারে বৃদ্ধি করা রন্ধন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্ৰত্যাহার করা, বার বার রন্ধন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে জনসাধারণকে লুণ্ঠন বন্ধ করা ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষোভ চলাকালে সেখানে বক্তব্য রাখেন দলের প্রাক্তন জেলা সম্পাদক শ্যামদেও কুর্মী, বর্তমান জেলা সম্পাদক ভবতোষ চক্রবর্তী, জেলা কমিটির অন্যতম সদস্য মাধব ঘোষ প্রমুখ।
সংবাদ 2 – তারাপুর রামনগর জিপিতে সোলার লাইট বিতরণ করল রোটারি ক্লাব অব শিলচর।শুক্রবার রামনগরে গ্লোবাল এনজিও -র ব্যবস্থাপনায় এক সংক্ষিপ্ত সভার মাধ্যমে প্রায় পঞ্চাশ জনের হাতে সৌর বাতি অর্থ্যাৎ সোলার লাইট তুলে দেন রোটারির পদাধিকারিরা।ওই সভার পরিচালনা করেন গ্লোবাল এনজিও-র সাধারণ সম্পাদক তথা জননেতা আতাউর রহমান। এদিনের কার্যক্রমে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারির ডিস্ট্রিক গর্ভনর ড: কোশানভ পাবে। সোলার লাইট হিতাধিকারীদের হাতে সোলার লাইট তুলে দেওয়ার আগে তা ব্যবহারের প্রণালী তুলে ধরেন রোটারি শিলচরের সভাপতি রামানুজ গুপ্ত।
সংবাদ 3 – গুমড়া পুলিশের জালে ধরা পড়লো এক বার্মিজ সিগারেট পাচারকারী। তার সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় সওয়া লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ বার্মিজ সিগারেট। একটি ছোট গাড়ি দিয়ে শিলচর থেকে মেঘালয় যাবার পথে কালাইনছড়ার অস্থায়ী নাকা চেক পয়েন্টে ধরা পড়েছে বার্মিজ সিগারেট সহ ওই পাচারকারী। ধৃত ব্যাক্তির নাম জামিল আহমদ লস্কর। বাড়ি হাইলাকান্দির ভাটির কোপায়। প্রসঙ্গত এই ব্যাক্তি গত নয়মাস আগেও বার্মিজ সুপারি পাচার করতে গিয়ে গুমড়া পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।
সংবাদ-4 মেশিনে তৈরি গামছা, মেখলা, আরনাই বিক্রয় বন্ধ করতে রাজ্য সরকারের এক নির্দেশে অভিযান শুরু করেছে হস্ততাত শিল্প বিভাগ।রাজ্য সরকারের হস্ততাত শিল্প বিভাগের সঞ্চালকের এক নির্দেশে কাছাড় জেলার বিভাগীয় আধিকারিক এই অভিযান শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার লক্ষীপুর শহরে কাপড়ের দোকানে দোকানে গিয়ে ভিন্ন রাজ্য থেকে আমদানি করা, কিংবা মেশিনে তৈরি করা গামছা, মেখলা, আরনাই বিক্রয় বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন কাছাড় জেলার হস্ততাত বিভাগের আধিকারিকরা। আজ থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে কাপড় ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দেন বিভাগীয় কর্মকর্তা।এখন থেকে মেশিনে তৈরি গামছা, মেখলা, আরনাই বিক্রয় করা যাবেনা, হাতে তৈরি স্থানীয় হস্ততাতের গামছা, মেখলা, আরনাই বিক্রয় করতে হবে।

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
সংবাদ 5 – অরুণোদয় প্রকল্পের ফর্ম বিতরণে জিপির প্রকৃত হিতাধিকারিদের বঞ্চিত করা হলে জনস্বার্থে গুয়াহাটি উচ্চ আদালতের দ্বারস্ত হওয়ার হুমকি দিয়েছেন নিয়াইরগ্রাম বাগপুর জিপির সভানেত্রীর প্রতিনিধি সমাজকর্মী মাহমুূদ হোসেন লস্কর। শুক্রবার জিপি কার্যালয়ে সভানেত্রী রুস্তানা বেগম লস্কর সহ পঞ্চায়েত পরিষদের সদস্যদের কে পাশে বসিয়ে মাহমুদ হোসেন লস্কর সাংবাদিক দের জানান, অসম সরকার অরুণোদয় প্রকল্পের প্রকৃত হিতাধিকারি বাছাইয়ের লক্ষ্যে বিশেষ সচেতনতা গাঁও সভার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সরকারি নির্দেশে তালাকপ্রাপ্ত মহিলা, অবিবাহিত মহিলা, অসহায় মহিলা, দিব্যাঙ্গ, জঠিল রোগগ্রস্ত মহিলাদের অগ্রাধিকারের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলা হয়ে ছিল।
সেই মর্মে জিপি সভানেত্রী এলাকার ৩৫০ জন প্রকৃত সুবিধাপ্রাপকের আবেদন পত্রের তালিকা প্রস্তত করে জিপি সচিবের স্বাক্ষর সহ চেকলিষ্ঠ জেলা শাসকের কায্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছিল। , দু মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে ও জিপি কার্য্যালয়ে কোন ও ফরম ফিরে আসেনি। এদিকে, এলাকার আবেদনকারিরা রোজ জিপি কার্যালয়ে ছুটে এসে সভানেত্রী কে চাপ দিচ্ছেন। এমতাবস্থায় তিনি খবর নিয়ে জানতে পারেন সোনাইর বিধায়ক করিম উদ্দিন বড়ভুইয়া নাকি জেলা উপায়ুক্তের কার্য্যালয় থেকে সোনাই এলাকার নির্ধারিত ফর্ম হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি এও বলেন, খবর নিয়ে জানতে পারেন গ্রামের বিধায়কপন্থী ও আত্মীয় স্বজনদের হাতে ফরম পৌছে গেছে।
সংবাদ 6 – নানা কার্যসূচির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব শ্রবণ দিবস উদযাপিত হল কাছাড়ে। এনএইচএম -এর রাষ্ট্রীয় বধিরতা নির্মূল কর্মসূচির (এনপিপিসিডি) অধীনে এদিন জেলার অসামরিক হাসপাতালে শ্রবণ সম্পর্কিত সচেতনতা, বিশেষ চিকিৎসা ও কানের যত্ন বিষয়ক প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। সতীন্দ্রমোহন দেব সিভিল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (নাক, কান ও গলা) ডাঃ রিমা পাটোয়া, অডিওলজিস্ট আলোক শুভ্র বিশ্বাস কর্মসূচির উদযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদেরকে সহযোগিতা করেন মৃনাল কান্তি লস্কর সহ অন্যান্যরা। ‘কান ও শ্রবণের যত্ন সবার জন্য’ – এই স্লোগানকে সামনে এদিন শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সহ এর থেকে বাঁচতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।


