এক নজরে বরাক
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1 – বদরপুরের মনসাংঘন এলাকার দলফা গ্রামে সংগঠিত হল এক হত্যাকাণ্ড। কালিগঞ্জ পাবলিক হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চঞ্চল্য এলাকায়। জানা যায় দলফা গ্রামের ফকর উদ্দিন এর মেয়ে মনোয়ার বেগম কে পাশের বাড়ির জমিল আহমদ শুক্রবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২ টায় দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কালিগঞ্জ পুলিশ ও করিমগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার । আটক করা হয় জমিলকে। হত্যার আসল রহস্য বের করতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
সংবাদ 2- শিলচর শহরের বিবেকানন্দ রোডে চলতি ড্রেনের কাজ শম্ভুক গতির দরুণ এক পশলা বৃষ্টিতেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। তাছাড়া নির্মীয়মাণ কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সচেতন মহলে। সরকারি বরাদ্দ অর্থ ও কাজের ধরণে ব্যাপক অমিল থাকারও সন্দেহ সচেতন মহলের। দ্রুত গতিতে ড্রেনের কাজ সম্পন্ন না হলে বৃষ্টির মরশুমে আরও দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
সংবাদ 3 – রামকৃষ্ণনগর মহাবিদ্যালয়ে পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। ২৩ মার্চ থেকে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান। ২৩ মার্চ প্রথমে রামকৃষ্ণনগর মহাবিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী বাৎসরিক অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়। ওইদিন রামকৃষ্ণনগর মহাবিদ্যালয়ের এনসিসি ইউনিট, এন এস এস ইউনিট, আই কিউ এসি ইউনিট, রামকৃষ্ণনগর মহকুমা কৃষি কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আসাম মিজোরাম সীমান্তবর্তী রংপুর এলাকায় জুম চাসের জন্য উন্নত মানের বিজ বন্ঠন করা হয় এলাকার সেইসব কৃষ্ণদের মধ্যে। তৎসঙ্গে কৃষির উপর ভিত্তি করে সজাগতা শিবিরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মিলেট বছর উৎপাদন হয়।
উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণকর মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডক্টর সুরজিৎ চক্রবর্তী, রামকৃষ্ণকর মহাবিদ্যালয়ের এনসিসি ইউনিটের প্রশিক্ষক সঞ্জয় নাথ, আই কিউ এ সি এর সম্পাদক মনোজিৎ পুরকায়স্থ, রামকৃষ্ণকর মহাবিদ্যালয় এর অধ্যাপক দীপঙ্কর পাল, রামকৃষ্ণনগর কৃষি মহকুমার এগ্ৰিকালচার ইন্সপেক্টর নৃপেশ দাস, কার্যালয় কর্মী রিন্টু পাল সহ বিদ্যালয়ের এন এস এস ও এনসি সি এর ছাত্র ছাত্রীরা। রামকৃষ্ণনগর মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডক্টর সুরজিৎ চক্রবর্তী জানান যে, ২৩ মার্চ থেকে শুরু ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ সহ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উনাদের এই অনুষ্ঠান চলবে।
সংবাদ 4 – বেরেঙ্গা এলাকায় বাঁধ সংস্কারের জন্য পাট্টা জমি ও সরকারি খাস জমি নিয়ে সেটেলমেন্ট অফিসের পাটোয়ারী ও কানুনগোরা দুর্নীতি করছেন বলে অভিযোগ এনেছে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা । এলাকার বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যমকে জানান, সরকারি জায়গা যেগুলো রয়েছে সেগুলো দখল মুক্ত করুক সরকার এতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু কোনধরণের নোটিশ না দিয়ে হঠাৎ তাদের পাট্টা জমির উপর বুলডোজার লাগিয়ে ঘর, বাড়ি ও দোকান ভেঙে ফেলছেন প্রশাসনিক অধিকর্তার l পাটোয়ারী ও কানাংগোকে ম্যানেজ করে কিছু দুষ্টু চক্র তাদের পাট্টা জমির উপর ভোলডোজার লাগানোর জন্য ভুল পথে পরিচালিত করছে প্রসাশনকে বলে ও অভিযোগ করেন তারা l তারা আরো বলেন অন্যান্য খাস জমিতে যে সব দোকান বা ঘর রয়েছে সেগুলো না ভেঙে সরাসরি তাদের পাট্টা জমিকে খাস বানিয়ে বুলডোজার চালাচ্ছে প্রশাসন l এবিষয়ে জেলাশাসককে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছিল কিন্তু ফল কিছুই মিলেনি l

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
সংবাদ 5- শুক্রবার করিমগঞ্জ জেলার এআইইউডিএফের ডাকে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের করিমগঞ্জ জেলা সভাপতি আজিজুর রহমান তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ রাধেশ্যাম বিশ্বাস, জেলা কমিটির উপসভাপতিদ্বয় ক্রমে দেওয়ান আব্দুল হেকিম চৌধুরী (রাইজ)। সভায় দলের প্রত্যেক নেতারাই বলেন এই বিলে তো কারো বিরুদ্ধে কিছু উত্থাপন করা হয়নি। আসলে বর্তমান রাজ্যের শাসকদল বিভিন্ন জাতি জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন চায়না এটাই তার প্রমাণ। এদিন দলীয় নেতারা আক্ষেপ করে বলেন, বিজেপির বিরোধিতায় কংগ্রেসও পাশে দাঁড়ালো।
এটা অতি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, চলতি বিধানসভা অধিবেশনে বরাক উপত্যকার বিভিন্ন জাতি-উপজাতিদের উন্নয়ণন কাউন্সিল গঠনের দাবিতে এআইইউডিএফের পক্ষে একটি প্রাইভেট বিল উত্থাপন করেছিলেন সোনাইর বিধায়ক তথা এআইইউডিএফ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক করিম উদ্দিন বড়ভুইয়া (সাজু)। তিনি বিলটি বিধানসভায় তুলে ধরতেই শাসক দল বিজেপি এবং বিরোধী কংগ্রেস দলের বিধায়করা বিলটির বিরুদ্ধে বিধানসভায় গর্জে উঠেন। এতে এক সময় বিল প্রত্যাহার হয়ে যায়। বিল প্রত্যাহারে শাসক দল ও কংগ্রেসের নেতারা বলেন এআইইউডিএফ এই বিলের মাধ্যমে বরাকে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অপরদিকে এআইইউডিএফ নেতারাও এই বিল নিয়ে বিজেপি, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে।
সংবাদ 6- বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের উদ্দ্যোশে পুরানো কমিটিকে বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করল অল আসাম এএনএম এণ্ড এল এইচ এস সার্ভিস এসোসিয়েশনের কাছাড় জেলা শাখা। কমিটির সভাপতি হিসেবে সর্ব সন্মতি ক্রমে ছবি দেব, সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত এবং স্বপ্না ঘোষকে মনোনীত করে এক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। কেন্দ্রীয় কমিটি অর্থ্যাৎ রাজ্য কমিটির সুপারিশে বিগত ৩ মার্চ শিলচর সিভিল হাসপাতালে প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।এক সাংবাদিক সন্মেলনে সভাপতি ও সম্পাদক জানান, সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিল্পী সী চূড়ান্ত অনিয়মে লিপ্ত ছিলেন।এছাড়া কোন ধরণের সন্মতি না নিয়ে ইচ্ছে মতো কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।


