গুয়াহাটির হোটেলে গুলিচালনায় নিহত ৫, এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার অভিযুক্ত

< 1 - মিনিট |

সম্পত্তির লিজ নিয়ে বিবাদ থেকেই হামলা বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের, নিহতদের চারজন একই পরিবারের সদস্য

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

গুয়াহাটি: গুয়াহাটির বরা সার্ভিস এলাকার বিলাস ইন হোটেলে গুলিচালনার ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। এই ঘটনায় আরও এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। সোমবার, ২৬ অক্টোবর রাত প্রায় ৯টা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটিও।

গুয়াহাটি পুলিশের কমিশনার পার্থসারথি মহন্ত জানান, গুলিচালনায় মোট ছয়জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, হোটেলটির মালিকপক্ষের সঙ্গে লিজগ্রহীতার সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ থেকেই এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার সূত্রপাত।

পুলিশের তরফে অভিযুক্তের নাম ঘনকান্ত গগৈ বলে জানানো হয়েছে। তিনি অসমের বাসিন্দা এবং হোটেলটি লিজে নিয়েছিলেন। পুলিশ কমিশনার স্পষ্ট করেছেন, অভিযুক্ত কোনও ভাড়াটে খুনি নন। নিহতদের সঙ্গেও তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক নেই।

মহন্ত জানান, নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য। পঞ্চম ব্যক্তি তাঁদের গ্রামের বাসিন্দা। আহত ব্যক্তিও একই গ্রামের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। গুলিচালনার এক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩২ ক্যালিবারের একটি পিস্তল। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।

তবে ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, গুলিচালনার আগে বিবাদ কতটা তীব্র হয়েছিল এবং কীভাবে একের পর এক গুলি চালানো হয়—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পুনর্গঠনের জন্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিহতদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগে তা যাচাই করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ, যাতে পরিচয় সংক্রান্ত কোনও ভুল না হয়।

সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে পাঁচজনের মৃত্যুর এই ঘটনায় গুয়াহাটিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে হামলার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার ধারাবাহিকতা সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *