দেশের মোট ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থীর মধ্যে সে সর্বভারতীয় স্তরে ২৪৭৬ র্যাঙ্ক পেয়েছে।
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
শিলচর প্রতিনিধি – এবারের জয়েন্ট এন্ট্রান্সে দেশের অন্যতম সেরার স্থান পেয়েছে শিলচরের অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য। দেশের মোট ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থীর মধ্যে সে সর্বভারতীয় স্তরে ২৪৭৬ র্যাঙ্ক পেয়েছে। যে ফলাফল বরাক উপত্যকায় প্রথম। সম্প্রতি অর্চিষ্মানকে সংবর্ধনা জানিয়েছে শিলচরের কালাম ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড এডুকেশন।
এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে অর্চিষ্মানকে সম্মানিত করা হয়। ইনস্টিটিউটের শিক্ষক সব্যসাচী দাস বলেন, প্রতিভাবানকে কোনও দিনই থামিয়ে রাখা যায় না। যতই ঘাত প্রতিঘাত আসুক না কেন, একদিন সে বিকশিত হবেই। যার জ্বলন্ত উদাহরণ অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য। ছাত্র হিসাবে সে খুবই ভালো ছিল, কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে।

হাড়ের টিবি রোগে ভোগা অর্চিষ্মানের কয়েকবার অস্ত্রপচার করাতে হয়েছে। এত কিছুর পরেও সে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমায়নি। যার পরিনাম স্বরূপ এবারের জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় সে বরাকের নাম উজ্জ্বল করেছে। শিক্ষক সুপ্রতীক রায় জানান, এবারের জয়েন্ট এন্ট্রাস-এ অভাবনীয় ফল করেছে অর্চিষ্মান।
সে জেইই মেইনস-এ ৯৯.৮১ শতাংশ পরীক্ষার্থীর চেয়ে সেরা হয়েছে। এই সফলতার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান। সংবর্ধনার জবাবে অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য জানায়, অসুস্থতার জন্য সে শারীরিকভাবে অনেক কষ্ট ভোগ করেছে, কিন্তু মানসিক দিক থেকে সে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল।
ভালো ফল করতে হবে, শিক্ষকদের এমন উৎসাহে আজ এই সাফল্য পেয়েছে। তবে এটা তার সূচনা মাত্র। আরও বহু পথ এগোতে হবে বলে উল্লখ করে অর্চিষ্মান। এবার বোম্বে আইআইটিতে সুযোগ পেয়ে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চায় সে। সেই উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যে তার কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে অর্চিষ্মানের মা চন্দ্রাণী চক্রবর্তী, বাবা অরিজিৎ ভট্টাচার্যও বক্তব্য রাখেন।
বিজ্ঞাপন


