পূর্ত র্বিভাগের উদাসীনতার চরম নিদর্শন !

2 - মিনিট |

পাঁচ বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি লারাং সেতু,জনমনে ক্ষোভ

প্রকৃতি নিউজ কনসার্ন

কালাইন : মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা রাজ্যের সরকারি বিভাগগুলোতে সুষ্ঠু কর্মসংস্কৃতি বজায় রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নেওয়া পদক্ষেপকে। বৃদ্ধাঙ্গুষ্টি দেখিয়ে উদাসীনতার চরম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তারই হাতে থাকা পূর্ত বিভাগ। যার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে কালাইনের লারাং সেতু।পূর্ত বিভাগের চরম উদাসীনতায় শিলান্যাসের পাঁচবছর দুমাস পরও নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়নি কালাইনের লারাং সেতুর।

কাটিগড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কালাইন ব্লকের অন্তর্গত কালাইন জিপির ছলিগ্রামে লারাং নদীর ওপর অ্যাপ্রোচ সহ ৫৮দশমিক০৪মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আরসিসি সেতু নির্মাণের জন্য ২০১৬-১৭অর্থবছরে পূর্ত শিলচর রুরাল রোড ডিভিশনের অধীনে ২কোটি৯৭লক্ষ৮১হাজার টাকা বরাদ্দ করে অসম সরকার। ২০১৮সালের ১ফেব্রুয়ারি সেতুর নির্মাণকাজের শিলান্যাস করা হয়।

যৌথভাবে শিলান্যাস করেন কাটিগড়ার তৎকালীন বিধায়ক অমর চাঁদ জৈন এবং কাছাড়ের তৎকালীন জেলাশাসক এস লক্ষণন। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বিভাগীয় তরফে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত শিলচর রুরাল রোড ডিভিশনের তৎকালীন নির্বাহী বাস্তুকার মৃন্ময় নাথ।শিলান্যাসের পর অনুষ্ঠিত জনসভায় সহস্রাধিক জনতার সামনে বিধায়ক এবং জেলাশাসক সেতুর নির্মাণকাজ নির্দিষ্ট সময়সীমা অর্থাৎ একবছরের মধ্যে সম্পূর্ণ করে চলাচলযোগ্য করে তুলতে বিভাগীয় নির্বাহী বাস্তুকার মৃন্ময় নাথ ও বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার দীপক কুমার বুচাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কিন্তু শিলান্যাসের পাঁচ বছর দুমাস পরও সেতুটির দুদিকের অ্যাপ্রোচ এখনও তৈরি হয়নি। যার ফলে সেতুটি আজ অব্দি চলাচলযোগ্য হয়ে ওঠেনি। এ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

কিন্তু বিভাগীয় তরফে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।এক বছরের জায়গায় পাঁচ বছর পরও লারাং সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের পাশাপাশি নানা প্রশ্নের উদ্রেক হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা পূর্তবিভাগের অধীনে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় কর্মসংস্কৃতি বজায় রেখে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও বরাক উপত্যকার ক্ষেত্রে হচ্ছেনা কেন?

কোন যাদুবলে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাক উপত্যকার প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে পূর্ত বিভাগ? ছলিগ্রাম এলাকার জনগণের বক্তব্য কর্মচঞ্চল মুখ্যমন্ত্রীর হাতে রয়েছে পূর্তবিভাগ। তাই পূর্ত বিভাগের এমন উদাসীনতা কোনভাবেই বরদাস্ত করা যায়না।কারণ পূর্তবিভাগের এরূপ উদাসীনতায় মুখ্যমন্ত্রীর কর্ম-সংস্কৃতির স্লোগানকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। ছলিগ্রাম এলাকার জনগণ লারাং সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করে চলাচলযোগ্য করে তুলতে মুখ্যমন্ত্রীর আশু পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *