বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, অসমে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা—দুই জেলায় কমলা সতর্কতা

2 - মিনিট |

অরুণাচলপ্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর ও মিজোরামের কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার অসম ও মেঘালয়ের বিচ্ছিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

গুয়াহাটি,:বঙ্গোপসাগরে তৈরি গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বুধবার অসমজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা। পশ্চিম-মধ্য ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূল ও দক্ষিণ ওড়িশার দিকে এগিয়ে চলেছে। এর প্রভাবে অসমের বেশিরভাগ জায়গায় মাঝারি বৃষ্টি এবং কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ গভীর নিম্নচাপটি অন্ধ্রপ্রদেশের কলিঙ্গপত্তনমের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। বুধবার রাতের মধ্যে বিশাখাপত্তনম ও গোপালপুরের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে উপকূলে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে পূর্ব কার্বি আংলং ও দিমা হাসাও জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টিকে ভারী এবং ১২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিকে অতি ভারী হিসেবে ধরা হয়।

পাহাড়ি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বৃষ্টির জেরে জল জমা, স্থানীয় ভাবে প্লাবন, ভূমিধস ও কাদাধসের আশঙ্কা রয়েছে। পিচ্ছিল রাস্তা, দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া এবং যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ পরিষেবায় বিঘ্নের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

বৃহস্পতিবারও অসম ও নাগাল্যান্ডের বেশ কিছু এলাকায় মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। অরুণাচলপ্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর ও মিজোরামের কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার অসম ও মেঘালয়ের বিচ্ছিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যেই অসমের একাধিক এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সামাগুড়িতে সর্বোচ্চ ১৪ সেন্টিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। শিলংগানি ও জেডআরএস শিলংগানিতে ১১ সেন্টিমিটার করে বৃষ্টি হয়েছে। ধর্মতুল এবং বিশ্বনাথ চারিয়ালির বিশ্বনাথ কৃষি কলেজে ৮ সেন্টিমিটার করে বৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া আশাপাড়া ও অন্যান্য কয়েকটি এলাকায় ৮ সেন্টিমিটার, রাওতায় ৭ সেন্টিমিটার, খেরোনিঘাটে ৬ সেন্টিমিটার এবং তেজপুর, রাহা ও বারপেটায় ৫ সেন্টিমিটার করে বৃষ্টি হয়েছে। গুয়াহাটির কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রায় ২ সেন্টিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

পাহাড়ি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং প্রবল বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পাশাপাশি সরকারি আবহাওয়া সতর্কতা নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

Promotional | For admission to the Brain Vision Program

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *