উপহার দেবেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
শিলচর প্রতিনিধি – পৃথিবীতে মানুষের অসাধ্য কিছু নেই। দৃঢ় ইচ্ছা ও কর্মদক্ষতার সাথে সাথে ধৈর্য শক্তি থাকলে জীবনে অনেক কঠিন ও স্বপ্নপূরন করা তা বিভিন্ন সময়ে অনেক মহাপুরুষ গন প্রমান করে গেছেন। তেমনি এক বিরল উদাহরন হল বরাকের আলোচিত লেম্বারগীনি গাড়ির নির্মাতা নুরুল হক। যিনি কোন তথাকথিত স্কুল কলেজে শিক্ষা অর্জন করেননি।

নুরুল হক ছোটবেলা থেকেই মা হারিয়ে অনেক কষ্ট করে বড়ো হয়েছেন। রাতাবাড়ী সমষ্টির বিলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দরিদ্রতার অভাবে ও পেঠের তাগিদে পড়াশুনা করতে না পেরে ছোটবেলায় কাজের জন্য ছুটে যান সূদুর নাগাল্যণ্ডে। সেখানে দশ বছর গাড়ির কারখানায় কাজ করে উন্নত প্রযুক্তি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করেন। ছোটবেলা থেকেই উনি যথেষ্ট মেধাবী ছিলেন কোন কিছু একবার দেখলে দ্বিতীয় বার নিজে নিজেই করে নিতে পারেন।
নুরুল হকের শখ ছিল ইটালিয়ান ল্যম্বারগিনি গাড়ি কেনার কিন্তু এধরনের গাড়ির বাজার মূল্য প্রায় ভারতীয় টাকায় এককোটি। সেজন্য তিনি ভাবলেন নিজে নিজে ল্যম্বারগিনি গাড়ি তৈরি করবেন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। প্রায় একবছর তপস্যা করার তৈরি করলেন নিজের স্বপ্নের গাড়ি। তিনি গতবছর ও একটি লেম্বারগিনি গাড়ি তৈরি করেছিলেন কিন্তু সেটাতে কিছু ত্রুটি থাকায় এই বছর আবার নতুন করে তৈরি করলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে উপহার দেওয়ার জন্য।

এই গাড়ি দেখার আসামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু দর্শকরা ভিড় করছেন প্রতিদিন উনার ভাঙ্গার Maruti car care ।প্রতিদিন অসংখ্য নিউজ চ্যানেলকে সাক্ষাৎকারে দিতে হচ্ছে নিজের সফলতার কথা বলার জন্য। নুরুল হক মুখ্যমন্ত্রী যদি আমার এই সামান্য উপহার গ্রহন করেন তাহলে তিনি অনেক কৃতজ্ঞ থাকবেন কিন্তু কথা হলো এই বিষয় কি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌছে যাবে।
আর পৌছে গেলে ও তিনি কতটুকু সাড়া দেবেন তাও দেখার বিষয়। তবে নুরুল হকের এই অসাধারণ প্রতিভা সত্যি প্রশংসনীয়। উনি যদি আর একটু শিক্ষা দীক্ষা অর্জন করতে পারতেন তাহলে জীবনে হয়তো অনেক বড় কিছু করে দেখাতে পারতেন।
বিজ্ঞাপন


