প্রতিটি রাজস্ব চক্রে দৌড়ঝাঁপ চোখে পড়লেও ৯৯% মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত যে হবেন বলে জনসাধারণ কে বলাবলি করতে শুনা যাচ্ছে
প্রকৃতি নিউজ কনসার্ন
শিলচর : মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার যুগান্তকারী পদক্ষেপ মিশন বসুন্ধরা ২.০ কাছাড় জেলায় অধরাই থাকবে বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে। সরকার যেখানে ৩১ শে মার্চের মধ্যে ভূমির অধিকার সুনিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানে কাছাড় জেলা কে অফলাইন করে রাখার ফলে প্রকৃত ভূমির মালিক তাদের তথ্য জমা দিতে পারছেন না।এব্যাপারে সাধারণ মানুষ হেনস্তার সম্মূখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও সোসিয়াল এক্টিভিস্ট হারাণ দে ।
জেলা ভূ আবাসন কার্যালয় সহ প্রতিটি সার্কেল অফিসে সরকারের এই ঘোষণার পর সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে, কিন্তু সবার এক কথা এই সব কার্যালয়ের কর্মীরা খতিয়ান ম্যাদি পাট্টা করা সহ তিন চার দশক ধরে নিজ দখলে থাকা খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা করছেন না। এদিকে মূখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার কঠোর নির্দেশযে ৩১ শে মার্চের মধ্যে ভূমির অধিকার সম্পর্কীয় যাবতীয় তথ্য সরকারের কাছে জমা দিতে হবে।
এখানে উল্লেখ্ করা যেতে পারে যে বসুন্ধরা ২.০ এর সুযোগ নিতে সমগ্র রাজ্যে অনলাইন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে,সেই মতো রাজ্যের ৩৬ টি জেলার মধ্যে কাছাড় ও হাইলা কান্দি জেলা কে অফলাইন করে রাখা হয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষ হেনস্তার সম্মূখীন হচ্ছেন। প্রতিটি রাজস্ব চক্রে দৌড়ঝাঁপ চোখে পড়লেও ৯৯% মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত যে হবেন বলে জনসাধারণ কে বলাবলি করতে শুনা যাচ্ছে।
এখন পর্যন্ত খতিয়ান ভূক্ত ভূমি সরজমিনে পরিদর্শন করার খবর পাওয়া যায়নি অন্যদিকে দশকের পর দশক ধরে নিজ নিজ দখলে থাকা খাসজমি বন্দোবস্ত পাবেন কি সে বিষয়ে ও এখনও কোনো ধরনের তৎপরতা শুরু হয়নি, এমতাবস্থায় বসুন্ধরা ২.০ প্রকল্প আদৌ কাছাড় জেলায় বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সাধারণ ভূমি হীন মানুষ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভূক্ত ভোগীরা।



