মেঘালয়ে খ্রীষ্টান ও মুসলমান একজোট আছে কি না এরও “এনআইএ” তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
উত্তর-পূর্বঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যগুলোতে বসবাসকারী হিন্দুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শিলচরে জন্ম হলো “নর্থ-ইস্ট হিন্দু ল্যাঙ্গুইস্টিক মাইনোরিটি ফোরাম”নামের নতুন সংগঠনের। সোমবার শিলচর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সংস্থার কর্মকর্তারা, প্রতিবেশী রাজ্য মেঘালয়ে অউপজাতি মানুষের উপর হওয়া নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে বিষয়টি রাষ্ট্রীয় স্তরে তুলে ধরার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানান।
সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নর্থ-ইস্ট হিন্দু ল্যাঙ্গুস্টিক মাইনোরিটি ফোরামের কর্মকর্তারা জানান যে, আর্টিকেল ৩৭১কে তাঁরা একটি লাইসেন্স অথোরিটি হিসেবে মেনে নিয়েছে। এবং এই লাইসেন্স অথোরিটির মাধ্যমে খাসি ও মিজো সহ অজস্র উপজাতি ছাত্র সংগঠনের খাতে যে বিদেশি অর্থ ঢুকছে তা থেকে তাদের শক্তি সঞ্চয় হওয়ার দরুন তাঁরা অউপজাতি মানুষের উপর বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে।

Follow Us
বিষয়টি নিয়ে সংস্থা তাদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট বন্ধ করার পাশাপাশি সরকারের কাছে “এনআইএ” তদন্তের এদিন দাবি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, মেঘালয়ে খ্রীষ্টান ও মুসলমান একজোট আছে কি না এরও “এনআইএ” তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সংস্থার কর্মকর্তারা এদিন আরও জানান যে,বিগত ১০/১৫ বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে অউপজাতি মানুষেরা নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে কিন্তু একবারও কোনো মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষের উপর আক্রমন হওয়ার খবর সামনে আসেনি।
এমতাবস্থায় বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকার অতি সত্বর হস্তক্ষেপ না করলে আগামীতে সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠবে বলেও এদিন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংস্থার কর্মকর্তারা। মেঘালয়ে অউপজাতি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার ধর্ণা প্রদর্শনের মাধ্যমে কাছাড়ের জেলা শাসককে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বলেও এদিন জানান তাঁরা। সাংবাদিক সম্মেলনে আইনজীবী বাণীপদ সিংহ, বাসুদেব শর্মা,আইজিবী সৌমেন চৌধুরী,স্বর্ণালী চৌধুরী,পিনাক ভট্টাচার্য,মণিষ কুমার ও আইনজীবী রাজীব নাথ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


