বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা৺ধ ও স্লুইসগেট মেরামতি হল না, ফেব্রুয়ারি শেষ হতে চলেছে
প্রকৃতি নিউজ কনসার্ন
শিলচর : বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা৺ধ ও স্লুইসগেট মেরামতি হল না, ফেব্রুয়ারি শেষ হতে চলেছে। শিলচর যেন আসন্ন বর্ষায় আবার প্লাবিত হবে – এই প্রশ্ন তুলেছেন নগরীর প্রবীণ ব্যক্তিরা। প্রধানমন্ত্রী ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী এখনও কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, অনেক মন্ত্রী ও ভিন্ন রাজ্যে ভ্রমণরত। এদিকে শীতকাল শেষ হল, সামনে বৃষ্টির মরশুমে কি নদীবাধ ও স্লুইসগেট সঠিকভাবে মেরামত করা যাবে?

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
সক্রিয়পন্থী প্রবীণ নাগরিক মঞ্চ প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন যে অচিরেই যেন ঐসব মেরামতি শেষ করা হয়। সেসঙ্গে শিলচর শহরের আবর্জনাপূর্ণ বাচাই খাল, রাঙ্গির খাল, লঙ্গাই খাল, সিঙির খাল পরিষ্কার করে প্রস্ত ও গভীরতা বৃদ্ধি করার উপর আশু গুরুত্ব দিতেন আবেদন করেছেন।
প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি ও অর্থ বরাদ্দই শেষ কথা নয়। যথাসময়ে কাজ সম্পন্ন না হলে শিলচর শহর বৃষ্টির জলে ডুববে, নদীর জলে প্লাবিত হবে বলে প্রবীণ নাগরিকরা আশংকা প্রকাশ করেছেন তাদের আবেদন পত্রে। এটাও উল্লেখ করেছেন যে শিলচরের নাগরিকরা অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়, দিল্লি ও দিসপুরে যথাক্রমে সাংসদ ও বিধায়ক শাসক দলের, তারা বিপুল ভোটে জিতেছেন। তবুও কেন সরকার শিলচর বাসীদের প্রতি অবহেলা করছেন!
২০২২ সালের প্রলয়ংকরী বন্যার পর আসামের রাজস্ব বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির কোন জরিপ করেনি। গত একশ বছরের বন্যাগুলোর মধ্যে এই বন্যা ছিল অন্যতম বৃহৎ। অথচ ব্যক্তিগত, সামুহিক, সরকারি প্রভৃতি ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির কোন জরিপ হল না, বন্যার সময় কিছু রিলিফ বন্টন ছাড়া প্রায় নিঃস্ব হওয়া ছাত্র, শ্রমিক, ছোট ব্যবসায়ীদের ছিটেফোঁটা অর্থসাহায্যও দেওয়া হল না।
অতীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সরকার আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। কিন্তু ২০২২ সালের বন্যার পর শিলচরবাসীদের অভিজ্ঞতা অন্যরকম হল – প্রবীণদের খেদ। এইসব ক্ষোভের কথা জানিয়ে প্রবীণ নাগরিক মঞ্চের উপ সভাপতি তথা কার্যকরী সভাপতি শ্রী নীহার পুরকায়স্থ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দিলীপ কুমার দে প্রধানমন্ত্রীরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।


