কেন সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সমাজে শিক্ষক মন্ডলী সহ লক্ষীপুর গালর্স হাইস্কুল এর ভাবমূর্তি নষ্ট করা হচ্ছে
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
শিলচর : লক্ষীপুর গালর্স হাইস্কুল কে জড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে মিথ্যা অপপ্রচার পোষ্ট করা বিষয় গুলির তীব্র নিন্দা জানালেন উক্ত স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা । একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সামাজিক মাধ্যমে এধরনের পোষ্ট গুরুতর অপরাধ। এই ধরনের পোষ্টের আগে বিষয় গুলি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিল বলে শিক্ষকরা মত প্রকাশ করেন।
এই বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে এই কথা বলেন লক্ষীপুর গালর্স হাইস্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা । তারা বলেন লক্ষীপুরের দুজন বাসিন্দা তাদের ফেসবুক একাউন্ট থেকে মে ভাবে লক্ষীপুর গালর্স হাইস্কুলকে জড়িয়ে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছেন তাতে তারা ভীষন ক্ষুদ্ধ। সেবার নিয়ম মেনেই সাত জনকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল ।
এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন না তুলে, তাদের স্কুলের পরীক্ষার বিষয় জানতে ইচ্ছুক থাকলে স্কুলে এসে প্রশ্ন করলে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছেন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা । এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় লক্ষীপুর গালর্স স্কুলের ফলাফল একশ শতাংশ পাশ । ৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০২২ ইং সালে যে ২৬ জন ফেইল করেছিল তারা বেশির ভাগই লক্ষীছড়া গ্রামের ।
তাদের বাড়ি থেকে এই স্কুলের দূরত্ব বেশ কয়েক কিলোমিটার হওয়ার জন্য অনেক অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গেছেন । যারা ছিল তারা হাফ ইয়ারলি এবং টেষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে নি । উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র সাত জন । আর সাতজন সময়ের মধ্য ফর্ম পূরণ করেছিলেন ।এই সাতজনই এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার বসেছিল এবং সবাই পাশ করে । শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম এর ফলে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার একশ শতাংশ ।
কেন সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সমাজে শিক্ষক মন্ডলী সহ লক্ষীপুর গালর্স হাইস্কুল এর ভাবমূর্তি নষ্ট করা হচ্ছে। এই এলাকার একমাত্র বাংলা মাধ্যম সরকারি হাইস্কুল এটিই । এবার একটি এল পি স্কুলকেও এই হাইস্কুলের সাথে সংমিশ্রণ করেছে সরকার । এবারের স্কুলের ভাল ফলাফল আসায় অভিভাবকরা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আগামীতে ও এই ধরনের ফলাফল ধরে রাখতে বলেন । আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষিকা গৌরী পাল ,পূর্নেন্দু দাস , মিনাক্ষী সরকার,লিজেংদেবী ,দিপা রায় ,এল ইবেনহাল দেবী , রত্নজিৎ দেব ,পি রংমি এবং মারুফ হোসেন বড়ভুইয়া সহ অন্যান্যরা।



