সরকার তথা সহৃদয় ব্যক্তিবর্গের প্রতি সাহায্যের আকুল আবেদন
KRC Times Desk
বৃহস্পতিবার কাটিগড়া গড়েরভিতর গ্রামে গিয়ে অসহায় ছেলেমেয়েদের খোঁজ নিয়ে কিছু সাহায্য তুলে দেন এককালের বিধায়ক রুমি। উল্লেখ্য, একপ্রকার কৈশোরে অনাথ এরা। তাদের দেখভাল করার কেহ নেই। বৃদ্ধা এক পিসি রয়েছেন যদিও।তিনিও,অচল।উনারই আপন বলতে কেহ নেই। এমতাবস্থায়, একপ্রকার অবুঝ এ শিশুদের পেটের ক্ষিধে মেটানো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।এমন এক নিদারুণ দূ:খজনক পরিস্থিতির শিকার উত্তর কাটিগড়ার সেউতি প্রথম খণ্ডের(গড়েরভিতর) প্রয়াত সুখময় রায়ের কচিকাঁচা তিনটি সন্তান। দুই পুত্র সুরজ রায়(৯),অমিত রায় (৫) ও কন্যা সূলেখা রায়ের(৭) কপালে।
নিয়তির এমন নিষ্ঠুর পরিহাস তাদের জীবনের উপর ধেয়ে আসবে,কে জানত!আর কতটা যে বুঝে উঠতে পারছে। কারণ, এখনও অবুঝ বয়সের। এমতাবস্থায়,মাস কয়েক পূর্বে মারা গিয়েছেন তাদের দিনমজুর বাবা সুখময়।মাথার উপর ছায়া হিসেবে ছিলেন মা নমীতা। এবার,তিনিও চলে গেলেন।
অথচ,“নুন আনতে, পান্তা ফুরানো পরিবার। আপনজন বলতে শুধু বাড়িতে রয়েছেন অশতিপর বৃদ্ধা পিসি লীলা রায়। উনারই নেই কেহ।সরকারী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধে থেকে উনি নিজেই বঞ্চিত । ফলে,নিজেই খেতে পাচ্ছেন না। অথচ, দুটি কিশোর, একটি কিশোরীকে জীবনযুদ্ধে বাঁচিয়ে রাখার,এসময় দায়িত্ব এসে পড়েছে উনার উপর। প্রশ্ন পারবেন, কিভাবে? কেননা,বার্ধক্যের অচলাবস্থা এসে উনাকেই কামড়ে ধরেছে। অন্যদিকে, এলাকাটি দরিদ্র পিছপড়া।পাড়া-প্রতিবেশীরা যদিও খোঁজ নিচ্ছেন।
কিন্তু,প্রয়োজনীয় সহায়তার ইচ্ছা থাকলেও, করতে অসমর্থ। ফলে,এ ক্ষুদে অনাথ শিশুদের জন্য, সরকার তথা জনদরদী মানুষের কাছে সাহায্যের আকুল আর্জি জানিয়েছেন এলাকাবাসী তথা অসহায় শিশুরা। উল্লেখ্য, এদের থাকার কোনভাবে একটি ঘর রয়েছে। এলাকাবাসীর কথায়,এককালে, সুখময় বাবু একটি ইন্দিরা আবাস ঘর পেয়েছিলেন। সেসময়,ঘর নির্মাণে বরাদ্দ অর্থ ছিল কম। সেকালে,হয়তো জুটেনি পূ্রো টাকা।ফলে পূরেনি ঘরের কাজও। বর্ষায় চালের ফুটো দিয়ে ঘরে পড়ছে জল।টিন দিয়ে কোনভাবে বন্ধ করে রাখা রয়েছে দরজা।আর,এ ঘরেই কোনভাবে থাকছেন এ তিনটি ক্ষুদে শিশু।ঘরে নেই খাওয়ার কিছু। এমনকি, আসবাবপত্র কিংবা রন্ধন প্রয়োজনীয় বাসনপত্র পর্যন্ত নেই।এ অসহায় কচিকাঁচরা করজোড়ে সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে, এদিন খোঁজ নিতে গিয়ে যাবতীয় বিষয় জেনে সরকারী তরফে এদের সাহায্য পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রুমি।


