আধুনিকতার করাল গ্রাসে, ম্লান হয়ে আসে, থিম পুজোর সাতকাহন, তাইতো মোরা পিদিম জ্বেলে, করবো তারে আবাহন
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
‘স্নিগ্ধ সুনীল শীতল শিহরণে দেবীকে নিমন্ত্রণ, শিউলি কাশ শিশিরে, শারদ প্রাতের মুগ্ধ আস্তরণ। আধুনিকতার করাল গ্রাসে, ম্লান হয়ে আসে, থিম পুজোর সাতকাহন, তাইতো মোরা পিদিম জ্বেলে, করবো তারে আবাহন।’
এবার পুজোয় এটাই ওঁদের ক্যাচলাইন। ওঁদের মানে, উত্তর কলকাতার গোয়াবাগানের ‘আমরা সবাই সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি’। আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের গল্প কে না জানে! হাতের ছোঁয়া পেলেই বেরিয়ে আসত এক জিন। তাঁর যাদুতে মিলত চাহিদা মত সমস্ত কিছু। সেই আশ্চর্য প্রদীপ থেকে যদি এবার কোনও একাকিত্ব ঘোচানর উপায় বেরিয়ে আসে তাহলে কেমন হয়? ঠিক সেইই ভাবনা নিয়েই কাজ করছে এই পুজোর থিম। র বিষয় পরিকল্পনায় – সুশান্ত কুমার মাইতি। প্রতিমা শিল্পী পল্টু পাল। আলোকসজ্জা – মহম্মদ নাসির।
পুজো কমিটির সম্পাদক অভিষেক হেঁস জানান, থিমের মূল বক্তব্য বর্তমান গতিশীল জীবনে প্রত্যেকের সব থেকে বড় সমস্যা একাকিত্ব, এই একাকিত্বের যন্ত্রণা থেকে সরে আসার জন্য আমাদের প্রয়োজন মায়াবী প্রদীপের আলো। অর্থাৎ মায়া শব্দটি এখানে মোহজালের সৃষ্টি করবে যাতে আমরা পূজার কটা দিন সবাই সমস্ত রকম অসমতা ভুলে মায়াবী প্রদীপের আলোয় যেন সাম্যের আলোকে আমরা মায়ের পুজো করতে পারি। এই ধারণায় ব্রতী হয়ে এবারে আমরা পুজোর আয়োজন করেছি’। অভিষেকবাবুর কথায়, ‘আমাদের পুজো এই বছরে ৫৪তম বর্ষে পদার্পন করেছে। বিগত বছরগুলিতে আমারা সাবেকি ধারায় পুজো করেছি। সময়ের সঙ্গে আমরা পাল্টাতে চেষ্টা করছি। তবে এর মধ্যেই থাকছে সাবেকিয়ানার ছাপ। তবে আধুনিকতায় গা ভাসিয়ে আমাদের এই বছরের ভাবনা ‘মায়াবী প্রদীপ’।


