পুজো শেষ না হওয়া পর্যন্ত সকাল থেকে তারাও উপবাস করে থাকে। সুর্য্য, কাবেরি, হিলারি,চম্পা, বসন্ত, শ্রাবনী এই ছয়টা কুনকি হাতিকে এদিন পুজো করা হয়। সকাল সকাল তাদের মুর্তি নদিতে ঘসে মেজে স্নান করানো হয়
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
বিশ্বকর্মার বাহন হাতিপুজো দেখতে মেটেলি ব্লকের গাছবাড়িতে পর্যটকদের ঢল নামল। প্রতিবছরের মতো এবছরও হাতি পুজো নিয়ম নিষ্ঠার সাথে ধুমধাম করে পালন করা হয়। গ্রামবাসিদের সঙ্গে সঙ্গে পর্যটকেরাও পুজোতে অংশগ্রহণ করে।
পুজো শেষ না হওয়া পর্যন্ত সকাল থেকে তারাও উপবাস করে থাকে। সুর্য্য, কাবেরি, হিলারি,চম্পা, বসন্ত, শ্রাবনী এই ছয়টা কুনকি হাতিকে এদিন পুজো করা হয়। সকাল সকাল তাদের মুর্তি নদিতে ঘসে মেজে স্নান করানো হয়। এরপর তাদের রঙ বেরং এর চক দিয়ে সাজানো হয়। গায়ে প্রতি হাতির নাম লিখে দেওয়া হয়।
তাদের পুজো মন্ডপে নিয়ে আসা হয়। শংক্ষ্য বাজে। উলুধ্বনি দেওয়া হয়। পুরোহিত নিয়মনীতি মেনে মন্ত্র উচ্চারন করে পুজো করে। পুজো শেষ হলেই হাতিদের ভালমন্দ খাওয়ান হয়। পর্যটকেরাও কলা, আপেল সহ অনান্য ফলমুল হাতিদের নিজের হাতে খাইয়ে দেন। শেষে গ্রামবাসি ও পর্যটকেরা বসে একসাথে ভুড়ি ভোজন করে। সব মিলিয়ে ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন হাতি পুজোতেই মেতে ওঠে।


