করিমগঞ্জের ইতিহাসে নজির, শান্তিপূর্ণ রাতাবাড়ির উপনির্বাচন, ভোট পড়েছ ৭৪.৩৭ শতাংশ

2 - মিনিট |

করিমগঞ্জের ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করে রাতাবাড়ির উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

করিমগঞ্জের ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করে রাতাবাড়ির উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। সন্ধ্যা পাঁচটায় ভোটদানের পর প্রাথমিকভাবে যে হিসাব পাওয়া গেছে তাতে ৭৪.৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে। একটি মহিলা পরিচালিত এবং ১১টি ওয়েব কাস্টিং-সহ মোট ২০২টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবারের উপনির্বাচনে। 

আজকের ভোটে ইভিএম-এ বন্দি হয়ে গেছে বিজেপি, কংগ্রেস, এস‌ইউসিআই এবং এক নির্দল প্রার্থীর ভাগ্য। রাতাবাড়ি বিধানসভা নির্বাচন ক্ষেত্রের মোট ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩১২ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটার আজ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে আগামী দেড় বছরের জন্য তাঁদের নতুন বিধায়ক নির্বাচিত করেছেন। তবে বিধায়কের বিজয় মুকুট কার মাথায় ওঠে তা জানা যাবে আগামী বৃহস্পতিবার ২৪ অক্টোবর‌। 

এদিকে বিজেপি-কংগ্রেস উভয় দলই নিজ নিজ দলের প্রার্থীর জয় নিয়ে আশাবাদী। আজ সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। জেনারেল অবজারভার সুনীল কুমার নায়েক (আইএএস) সকাল থেকেই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর তীক্ষ্ণ নজর রেখে চলছিলেন। পুলিশ সুপার মানবেন্দ্র দেবরায়ের পুলিশ বাহিনীও নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গোটা এলাকা দিনভর টহল দিয়েছে। সকাল নয়টা পর্যন্ত ভোটদানের হার কম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটদানের গতি বাড়তে থাকে। দুপুর একটা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ। তিনটা নাগাদ সেটা গিয়ে দাঁড়ায় ৬৪.২১ শতাংশে। নির্ধারিত সময় বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ৭৪.৩৭ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বলে প্রাথমিক হিসাব দিয়ে জানিয়েছে জেলা জনসংযোগ দফতর।

করিমগঞ্জের ইতিহাসে এ পর্যন্ত রাতাবাড়ি বিধানসভার  পাঁচটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এবারের উপনির্বাচনের মতো অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আগের চারটি উপনির্বাচনে হয়নি। সেই সময়কালে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনগুলিতে সংগঠিত সন্ত্রাসের রাজত্ব আজ‌ও করিমগ বাসীর মনে তাজা হয়ে আছে। পূর্বে অনুষ্ঠিত চারটি উপনির্বাচনের লজ্জা কিছুটা হলেও আজ অনুষ্ঠিত রাতাবাড়ি উপনির্বাচন মোচন করতে পেরেছে বলে জেলার সুশীল সমাজ মনে করে। বিজেপির বিজয় মালাকার, কংগ্রেসের কেশব প্রসাদ রজক, এস‌ইউসিআই (কমি)-এর বীরেন্দ্র রবিদাস এবং নির্দল প্রার্থী পরীক্ষিত রায়ের মধ্যে কার মাথায় বিজয়ের মুকুট উটবে, সেটা জানতে ২৪ অক্টোবর গণনার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *