ডেঙ্গু মরসুমে জেলা প্রাথমিকের ক্রীড়া, আতঙ্কে ক্ষুদেদের ঢাকা হবে দেড় হাজার মশারি দিয়ে

2 - মিনিট |

৭,৮,৯ ডিসেম্বর তিনদিন ধরে এই জেলা স্তরের ক্রীড়া ফাইনাল হচ্ছে মেদিনীপুর শহরে ৷ প্রায় তেরোশো ছাত্রছাত্রীকে মেদিনীপুর শহরের দুটি বিদ্যালয়ের বড়ো হলে তাদের রাখা হবে ৷

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলির ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে ৷ ৭,৮,৯ ডিসেম্বর তিনদিন ধরে এই জেলা স্তরের ক্রীড়া ফাইনাল হচ্ছে মেদিনীপুর শহরে ৷ প্রায় তেরোশো ছাত্রছাত্রীকে মেদিনীপুর শহরের দুটি বিদ্যালয়ের বড়ো হলে তাদের রাখা হবে ৷ কিন্তু জেলার সঙ্গে মেদিনীপুর শহরে ডেঙ্গুর উত্পাত নজরে এসেছে স্বাস্থ্য দফতরের ৷ তাই তিনদিন ধরে এই বিপুল পরিমান ছাত্রছাত্রীদের জন্য আতঙ্ক তৈরী হয়েছে সংসদ কর্তাদের ৷ কারন যে কোনো সময় ডেঙ্গুর কামড় পেতেই পারে ছাত্রছাত্রীরা ৷ তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের রাখা হবে পুরো পুরি মশারি দিয়ে ঢেকে ৷ এজন্য প্রায় দেড় হাজার মশারি নিয়ে আসা হয়েছে ৷ সেই সাথে খেলার মাঠ সহ পাশপাশি এলাকা গুলিকে মশা মুক্ত করতে ধোঁয়া স্পের কামান দাগা হবে শুক্রবার থেকেই ৷

রাজ্যের অন্যান্য জেলার সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুরেও জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা হচ্ছে ডিসেম্বরেই ৷ ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় এবার একটু রদবদল হচ্ছে ৷ এবার অন্যবারের মতো মহকুমা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা বাদ দিয়ে সরাসরি চক্রস্তর থেকে প্রতিযোগীদের নিয়ে জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা হচ্ছে ৷ ফলে স্বাভাবিক ভাবেই জেলা স্তরের প্রতিযোগী একটু বেশিই হবে ৷ এবার পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রায় তেরোশ প্রতিযোগী রয়েছে বিভিন্ন ইভেন্টে ৷

 ৭ ডিসেম্বর মেদিনীপুর অরবিন্দ স্টেডিয়াম থেকে তাদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শুরু হবে ৷ ওই দিন সকাল থেকেই মেদিনীপুর শহরে প্রবেশ করতে শুরু করবে প্রতিযোগীরা ৷ তাদের রাখা হচ্ছে মেদিনীপুর শহরের দুটি উচ্চবিদ্যালয়ের বড়ো হলে ৷ কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু নিয়ে ৷ এই মুহুর্তে জেলা জুড়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রয়েছে ৷ মেদিনীপুর শহরেও অনেক ৷ তাই এতো বিপুল পরিমান ছোট ছাত্রাছাত্রীরা মাঠে খেলতে এসে ডেঙ্গুর আক্রমনে পড়ার আতঙ্ক রয়েছে ৷ স্বাস্থ্য দফতরের পাওয়া সাবধানবানীর কথা মাথায় রেখে বৈঠকে প্রস্তুতি কমিটিকে সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ৷ সিদ্ধান্ত হয়েছে -যে হল গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের রাখা হবে ৷ সেখানে পুরো মশারি দিয়ে ঢেকে রাখা হবে ৷ তাছাড়া ছাত্রছাত্রীরা প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের হাতে একটা করে মশারি তুলে দেওয়া হবে ৷  খেলার মাঠ সহ আবসন স্থলের চারিপাশে মশা তাড়াতে স্প্রে করা হবে ৷ সবসময়ের জন্য থাকছে মেডিক্যাল টিমও ৷    জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি নারায়ন সাঁতরা বলেন- ডেঙ্গুর আতঙ্ক একটা রয়েছে ৷ কারন জেলা জুড়ে ডেঙ্গুর মশার উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে ৷ তাই মশা রুখতে মশারির বর্ম ও স্প্রে করা হবে বেশি ৷ কোনো রকমের ঝুঁকি নেবোনা ৷

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *