মণিপুরে দুই নাগা যুবকের মৃত্যু, জেএনআইএমএসে গিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বীরেনসিং

< 1 - মিনিট |

মাকুই ও তাপোনে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর, অজিনবৌ রিংকাংমাইয়ের নিখোঁজ মুণ্ড উদ্ধারে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা যৌথ উপজাতি পরিষদের

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

ইম্ফল:মণিপুরে দুই নাগা ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। সোমবার ইম্ফলের জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (জেএনআইএমএস) গিয়ে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। মাকুই ও তাপোন গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পর সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বীরেন।

মৃতদের নাম দিবাম্বৌ রিংকাংমাই (৪৮) এবং অজিনবৌ রিংকাংমাই (৫২)। দিবাম্বৌ মাকুই গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার দু’জনের দেহ জেএনআইএমএসের মর্গে নিয়ে আসা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অজিনবৌয়ের মুণ্ড নিখোঁজ থাকার খবর ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে উপজাতি সম্প্রদায়ের মধ্যে।

এই পরিস্থিতিতে অজিনবৌয়ের মুণ্ড উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছে জয়েন্ট ট্রাইবস কাউন্সিলের (জেটিসি-মনিপুর) ওয়ার্কিং কমিটি। ইনপুই, লিয়াংমাই, রংমেই এবং জেমে সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী এই সংগঠন ভারত সরকার ও মণিপুর সরকারের কাছে পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ মুণ্ড উদ্ধারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে তারা।

কমিটির আরও দাবি, অজিনবৌয়ের মুণ্ড উদ্ধার করে পরিবারের হাতে মর্যাদার সঙ্গে শেষকৃত্যের জন্য তুলে না দেওয়া পর্যন্ত দুই মৃতের ময়নাতদন্ত করা যাবে না। এই দাবিকে ঘিরে প্রশাসনের উপর চাপ বাড়ছে।

দুই নাগা ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করা, হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি স্পষ্ট করা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহলে। বীরেন সিংয়ের জেএনআইএমএস সফরও সেই উদ্বেগের আবহেই হয়েছে।

তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, হত্যাকাণ্ডের পিছনে কারা রয়েছে এবং অজিনবৌয়ের মুণ্ড নিখোঁজ থাকার কারণ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। তদন্তের অগ্রগতি এবং সরকারের পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলির।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *