১) কংগ্রেস মুখাপাত্র পবন খেরাকে গ্রেফতার/পরে জামিনে মুক্তি
২) আইন মেনে গ্রেফতার করা হয়েছিল/বলল বিজেপি
৩) গোমাংস খেতে দল বাধা দেয় না/ফের মন্তব্য মেঘালয় বিজেপি সভাপতির
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1 – কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরাকে আজ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে আসাম পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে কটুক্তি করায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ যখন পবন খেলা ও অন্য কংগ্রেস নেতারা যখন রায়পুরে কংগ্রেস অধিবেশনে যাওয়ার জন্য বিমানে উঠছিলেন তখন তাকে নিচে নেমে আসতে বলা হয়। এরপর আসাম পুলিশের অফিসাররা তাকে গ্রেফতার করে ন। সুপ্রিম কোর্টের রায় তিনি অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে যান । আসাম পুলিশ খেলাকে স্থানীয় আদালতে তুলতে চেয়েছিল কিন্তু তার আগেই কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে চলে যায়।
সংবাদ 2 – পবন খেরাকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছেন কংগ্রেস মুখপাত্র কে বেনু গোপাল। তিনি বলেন তার বক্তব্যের জন্য ইতিমধ্যেই পবন খেরা মাফ চেয়েছেন। কিন্তু এরপরও এই আচরণ করা হচ্ছে। মানুষের বাক স্বাধীনতাকে কেন দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ 3 – পবন খেরাকে গ্রেফতার কে সমর্থন করলেন বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। আইন মেনে পুলিশ পবন খেরা কে গ্রেফতার করেছে। প্রধানমন্ত্রী পরিবার কে নিয়ে মন্তব্য করার জন্যই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।। বিমানবন্দরে কংগ্রেস কর্মীদের প্রতিবাদকে তিনি বেআইনি বলে আখ্যা দেন।
সংবাদ 4-এদিকে বিমানবন্দর থেকে পবন খেরাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস। গতান্ত্রিক দেশে মত প্রকাশের সভার অধিকার আছে। এভাবে গ্রেফতার করার ফলে গণতান্ত্রিক অধিকার রঞ্চিত হচ্ছে এই মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস মুখপাত্র সুমিত্রা সিলেট।
সংবাদ 5 – আজ কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার অভিযানে কংগ্রেস ও জেডিইউকে আক্রমণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সহ। তিনি বলেন দুটি দলই পরিবার কেন্দ্রিক। জেডিএস কে ভোট দেওয়া মানে কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া। আর কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে দিল্লিতে সিদ্ধি রামাইয়ার এ টি এম কে ভোট দেওয়া। মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দুই দলের জটকে তিনি অশুভ বলে আখ্যা দেন।
সংবাদ 6 – মেয়র পদে নির্বাচন হওয়ার পরও হাঙ্গামা থামতে চাইছে না দিল্লি পুর নিগমের। আজ পুরো সময় বিজেপি এবং আম আদমি পার্টির পার্ষদদের মধ্যে হাতাহাতি হাঙ্গামা হয়।শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সভা স্তগিত করে দেন মেয়র সুমিতা আবেয়ায়। অধিবেশনে মোবাইল নিয়ে ঢোকার অনুমতি দিয়েছিলেন অবেরয়। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিজেপি পার্শ্বদরা।
সংবাদ 7 – আমরা গো মাংস খাই ।বিজেপির কোন বাধা দেয় না। এই মন্তব্য করলেন মেঘালয় বিজেপি সভাপতি। আগেও তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। তার এই মন্তব্য নিয়ে দেশ জোরে বিতর্ক দেখা দেয়। দল গমাংস খেতে কাউকে বাধা দেয়নি। গ মাংসের ক্ষেত্রে বিজেপি উত্তর ভারতে এক অবস্থান ও দক্ষিণ ভারতে উত্তর পূর্ব রাজ্যগুলিতে আরেক অবস্থান নেয় বলে অভিযোগ।


