এক নজরে বরাক
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সংবাদ 1 – সেবা বোর্ডের অপদার্থতা নিয়ে উদ্বিগ্ন বরাকের ছাত্রছাত্রীরা,বরাক,ডিমাহাসাও ও কার্বি আংলং নিয়ে পৃথক মাধ্যমিক বোর্ড ও উচ্চমাধ্যমিক কাউন্সিলের দাবি জানিয়ে সোচ্চার হল বিডিএফ।সেবা বোর্ডের অপদার্থতায় মাধ্যমিকের দুটি পরীক্ষা বাতিল হয়েছে, নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বরাক উপত্যকার ছাত্রছাত্রী তথা অভিভাবক মহল। এই অভুতপূর্ব পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বরাক উপত্যকা, ডিমা হাসাও ও কার্বি আংলং-এর ছাত্রছাত্রীদের জন্য পৃথক মাধ্যমিক বোর্ড ও উচ্চমাধ্যমিক কাউন্সিল গঠন করার দাবি জানাল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। এক প্রেস বার্তায় বিডিএফ মূখ্য আহ্বায়ক প্রদীপ দত্তরায় বলেন সেবা বোর্ডের এইধরনের অদক্ষ ব্যাবস্থাপনা থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন বরাক তথা এই অঞ্চলের ছাত্রছাত্রীরা। তাই বৃহত্তর আসাম থেকে সরিয়ে তাঁদের জন্য পৃথক মাধ্যমিক বোর্ড ও উচ্চমাধ্যমিক কাউন্সিল গঠন করা সময়ের দাবি।
সংবাদ 2 – মাধ্যমিক বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার শিলচরের ক্ষুদিরাম মূর্তির সামনে আসামের শিক্ষামন্ত্ৰীর কুশপুতুল দাহ করে এ আই ডি এস ও’র কর্মীরা। বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ সংগঠনের কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে মেট্ৰিকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই, প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ছাত্রদের জীবন ধ্বংস করা চলবে না, স্বচ্ছতা বজায় রেখে পরীক্ষা আয়োজন করতে হবে ইত্যাদি দাবিতে দীর্ঘক্ষণ স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভ শেষে সেখানে আসামের শিক্ষামন্ত্ৰীর কুশপুতুল দাহ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীদের সামনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সর্ব ভারতীয় কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হিল্লোল ভট্টাচার্য।
সংবাদ 3 – পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে নিজের কন্যাকে প্রশ্ন উত্তর লিখে দিচ্ছেন কর্তব্যরত একজন শিক্ষক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ঠিক সেই সময় বাশকান্দি নেনামিয়া স্কুলে উচ্চতর মাধ্যমিক পরীক্ষার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের অ্যাডভান্স ল্যাংগুয়েজ পরীক্ষার দিনে ওই স্কুলে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন হয়। পরীক্ষার কেন্দ্রে নিজের কন্যাকে প্রশ্ন উত্তর লিখে দিচ্ছেন কর্তব্যরত ওই স্কুলের একজন শিক্ষক। অসুস্থ থাকায় তাকে আলাদা এক রুমে বসিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছেন শিক্ষকরা। কিন্তু পিতা ওই স্কুলের একজন কর্তব্যরত শিক্ষক। তিনি প্রশ্নের উত্তর লিখে দিচ্ছেন। ওই শিক্ষকের নাম এ এইচ বড়ভূঁইয়া। শিক্ষকের এই কর্মকাণ্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়াহওয়ায় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
সংবাদ 4 – করিমগঞ্জ পুরসভার কর বৃদ্ধি ইস্যু উত্থাপিত হল আসাম বিধানসভায়। পুরকর বৃদ্ধি ইস্যুতে বিধানসভা অধিবেশনে সরকারকে চেপে ধরলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি তথা উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ।পুরকর বৃদ্ধির নামে পুরসভার জনগণ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়া হঠাৎ করে অস্বাভাবিক হারে পুরকর বৃদ্ধি করে জনগণের গাড়ে চাপিয়ে দিতে চাইছে সরকার। করিমগঞ্জ শহরের জনগণ বিজেপি সরকারের উপর আস্থা রেখে ছিল এটাই তার প্রতিদান।কল্যাণকামী দেশে এমন ভাবে পুরকর বৃদ্ধি করে একটি ঘৃন্য পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সরকারকে চেপে ধরলেন বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ।
সংবাদ 5 – জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজে দুর্নীতি নিয়ে সরব সাধারণ মানুষ। তাদের মতে পরিবর্তনের দোহাই দিয়ে সরকারে এসেছিল বিজেপি। কিন্তু বিজেপি শাসনকালে আসামে সবচেয়ে বড় বড় দুর্নীতি হচ্ছে। এমন কি জল জীবন মিশন প্রকল্প নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি হচ্ছে। তারা বলেন বার বার অভিযোগ জানালে বা সংবাদ প্রকাশ করার পর ও বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ কিংবা মন্ত্রীর টনক নড়চে না।গোটা রাজ্যের সঙ্গে বদরপুর এলাকাতেও জল জীবন মিশন প্রকল্প নিয়ে চরম দুর্নীতি চলছে। নাম মাত্র কাজ করে প্রচুর পরিমাণে অর্থ আত্মসাৎ করে নিচ্ছেন ঠিকাদাররা।সাধারণ মানুষের মতে উপর মহল থেকে শুরু করে বিভাগের নিচু মহল পর্যন্ত সবকিছু বুঝা পড়ার মাধ্যমে চলছে। ফলে কোন অভিযোগও কাজে আসছে না।
পি এইচ ইর বদরপুর সাব ডিভিশন এর অধীনে প্রায় ২৩ টি প্রকল্পে জল জীবন মিশনের কাজের টিকা পেয়েছে টিএনটি নামের সংস্থা। বেশিরভাগ প্রকল্পে জোড়া তালি দিয়েই কাজ চলছে। এর উদাহরণ ভাঙ্গার নন্দপুর পানীয় জল প্রকল্প। এই প্রকল্পে জল জীবন মিশন প্রকল্প থেকে প্রায় ৫২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে জানা যায় । কিন্তু আজ পর্যন্ত কাজের ফলক লাগানো হয় নি । বর্তমানে কুশিয়ারা নদী থেকে জল আনার জন্য যেখানে নতুন পাইপ বসানোর কথা সেখানে পুরোনো দিনের পাইপলাইন ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে ৩ ফুট গভীর করে নালা করে পাইপ বসানোর কথা ছিল সেখানে ১ ফুট থেকেও কম মাটি কেটে পাইপ বসানো হয়েছে ।এছাড়াও প্রকল্পের আশপাশে থাকা বাড়িগুলোতে আজ পর্যন্ত পানীয় জলের লাইন সংযোগ দেওয়া হয়নি।


