কেআরসি বরাক টাইমস

3 - মিনিট |

এক নজরে বরাক

কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো

সংবাদ 1  – সোমবার সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টায় বড়খলা বিধানসভার ঘাঘড়াপার প্রথম খন্ডে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত অবস্থা সংগঠিত হয়। এতে দুজন আহত হন। আহতরা বর্তমানে শিলচর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধী। আহত মঈন উদ্দিন বড়ভূইয়া(৬০) ও লায়লা বেগম বড়ভূইয়া(৫২)ঘটনার বিবরনে বলেন, সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় আচমকা তাদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে মেহেবুব হুসেন বড়ভূইয়া ও তার ছেলে কমরুল হক বড়ভূইয়া, নজরুল হক বড়ভূইয়া,একলাস উদ্দিন বড়ভূইয়া,সানু মিয়া বড়ভূইয়ারা দল -বল নিয়ে তাদের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে এবং স্ত্রী লায়লা বেগম বড়ভূইয়াকে শারিরীক অত্যাচার চালান ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখে ছেলে সোহেল আহমেদ বড়ভূইয়া আটকাতে গেলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় ।

পরবর্তী সময়ে শালচাপড়া পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রনে আনে। কিন্তু অভিযুক্তরা পুলিশ বাহিনী দেখে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আহত মঈন উদ্দিন বড়ভূইয়া ও স্ত্রী লায়লা বেগম বড়ভূইয়া ও ছেলে সোহেল আহমেদ বড়ভূইয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে এক মামলা করা হয় শালচাপড়া পুলিশ ফাড়িতে।

সংবাদ 2 – বসুন্ধরা প্রকল্পের অধীনে নামজারীর বিনিময়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল করিমগঞ্জ সদর সার্কেল অফিস। যুবতীর বয়ান মতে, জায়গার নামজারির করতে গিয়ে মোট সাড়ে আট হাজার টাকা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ ওঠল সদর সার্কেলের আমিন গৌতম দামের বিরুদ্বে। সোমবার করিমগঞ্জ শহরের নীলমণি রোডের এক যুবতী গুরুতর এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। জমির নামজারি থেকে শুরু করে বাড়ির খাজনা সহ কার্যালয়ের কর্মসংস্কৃতি লাটে । করিমগঞ্জ সদর সার্কেল কার্যালয়ে টাকার বিনিময়ের মাধ্যমেই সবকিছু হয়।

টাকা না হলে দিনের পর দিন পায়ের ঘাম মাথায় ফেললে ও কোনও কিছুই হয়না। করিমগঞ্জ শহরের যুবতীর এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে বেশ উত্তাল হয়ে ওঠে সার্কল অফিস। অন্যদিকে আমিন গৌতম দাম নিজে অস্বীকার করছেন। অভিযোগকারি যুবতী বলেন গৌতম দাম তার কাছ থেকে সাড়ে আট হাজার টাকা নিয়েছেন। অফিসের সি সি ক্যামেরা দেখলেই বিষয়টি জলের মত পরিষ্কার হয়ে যাবে। অন্যদিকে আর একজন বয়োজেষ্ঠ লোকও অভিযোগ করিমগঞ্জ সদর সার্কেল কার্যালয়ের আমীনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেন।

সংবাদ 3- পাথারকা‌ন্দি থানাধীন লা‌ঠি‌টিলা এলাকার ফুলকা‌ন্দি সীমান্তরক্ষীর হা‌তে ধরা পড়ল পাঁচ‌টি ম‌হিষ।যার বাজার মূল‌্য অনুমা‌নিক তিন লক্ষা‌ধিক টাকার মত হ‌বে।জানা গে‌ছে সোমবার গ‌ভীর রা‌তে একদল পাচারকা‌রী ম‌হিষগু‌লো‌কে পাহা‌ড়ি ফাঁ‌ড়ি প‌থে সংগ্রহ ক‌রে বাংলা‌দে‌শে পাচা‌রের উদ্দেশ্যে ‌ছিল।তখন সীমা‌ন্ত এলাকায় প্রহরারত এক`শ চৌ‌ত্রিশ নং বিএসএফ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা পাচারকা‌রীদের চ‌্যা‌লেঞ্জ জানা‌লে তারা অবস্থা বেগ‌তিক দে‌খে রা‌তের অন্ধাকা‌রে গা ঢাকা ‌দি‌তে সক্ষম হ‌লেও ম‌হিষগু‌লো ধরা প‌ড়ে।বর্তমা‌নে আটক ম‌হিষগু‌লো পাথারকা‌ন্দি পু‌লি‌শের তত্বাবধা‌নে স্থানীয় এক‌টি খোয়া‌ড়ে রাখা আ‌ছে।নব্বই দিন পর আটক ম‌হিষগু‌লো কাস্টম বিভা‌গের হা‌তে সম‌ঝে দেওয়া হ‌বে ব‌লে পু‌লিশ সু‌ত্রে জা‌না গেছে।

Register your business, organisation, and services in ‘InfoCom Silchar Diary’
e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here

সংবাদ 4 – মঙ্গলবার শিলচর সেটেলমেন্ট অফিসে বসে ঘুষ নিতে গিয়ে ভিজিলেন্সের হানায় হাতেনাতে পাকড়াও হল এক পাটোয়ারী।পরে এনিয়ে পুলিশের রাজ্য আধিকারিক সুরেন্দ্র কুমার তার ট্যুইটে ঘুষ খোর পাটোয়ারি মিসবা উদ্দিন লস্করের পাকড়াও করার খবরটি তুলে ধরেন। জানা গেছে, নামজারির নামে দাবি করা প্রচুর পরিমাণের অর্থ নিতে গিয়েই ভিজিলেন্সের জালে হাতেনাতে ধরা পড়েন।আটক মিসবা কনকপুর এলাকার পাটোয়ারী।

তার বাসা সোনাইয়ে। পাটোয়ারী পাকড়াওয়ের খবর চাউর হতেই সেটেলমেণ্টে ভিড় জমান লোকজন।খবর পেয়ে ছুটে আসেন টাউন রাইডিং পুলিশের দলবল।দেবো না নেবো না আক্ষরিক অর্থে বাস্তব তা ঘুষ কাণ্ড ফাঁসের পর আরও স্পষ্ট বলে অভিমত ব্যক্ত করেন শিলচর সেটেলমেণ্ট কার্যালয়ে এসে দুর্ভোগ পোহানো সাধারণ লোকজন।

সংবাদ 5 – গুয়াহাটিতে বাংলা সাহিত্য সভা, আসাম নামক একটি সংগঠনের অধিবেশনে অতিথিদের স্বাগত জানাতে অসমিয়া ও বাঙালি গামছা অর্ধেক কেটে জোড়া লাগিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে যা নিয়ে সারা রাজ্যে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এবারে এর প্রতিবাদে সরব হল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিডিএফ মুখ্য আহ্বায়ক প্রদীপ দত্তরায় বলেন যে এই ভুঁইফোড় সংগঠনটির এই প্রচেষ্টায় অসমিয়া সম্প্রদায় সঙ্গত কারনেই ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন কারণ দীর্ঘকাল ধরে অসমিয়া গামছাকে তারা তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক বলে মনে করেন।

তাই এভাবে অসমিয়া গামছাকে বিকৃত করে সমগ্র অসমিয়া জাতির ভাবাগেবএ আঘাত দেওয়া ক্ষমাহীন অপরাধ। তিনি বলেন বরাকের সরকারি ভাষা আইন লঙ্ঘন করে অসমিয়া সাইনবোর্ড লাগানোর অপরাধে যদি তাকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে জেলে পাঠাতে পারেন তবে অসমিয়া সংস্কৃতিকে অপমান করার দায়ে এইসব সংগঠকদের কেন জেল হবেনা? যদি তেমন কোন পদক্ষেপ না নেওয়া হয় ,তাহলে অবশ্যই বুঝতে হবে এসবের পেছনে সরকারি মদত রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *