নগাঁও উপনির্বাচনে ‘এক নম্বরে’ এআইইউডিএফ, বিজেপি-কংগ্রেসকে নিশানা আজমলের

2 - মিনিট |

মুসলিম ভোটারদের সঙ্গে টুপি পরে নামাজ পড়া বা তাঁদের সঙ্গে কথা বললেই আস্থা তৈরি হবে না বলে মন্তব্য করেন আজমল। তাঁর বক্তব্য, এর জন্য আরও গভীরভাবে তাঁদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে হবে।

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

নগাঁও:নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই আক্রমণাত্মক হচ্ছেন এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল।   নগাঁওয়ে এক নির্বাচনী সভায় আজমল দাবি করেন, ভোটের দৌড়ে তাঁর দল এখন ‘এক নম্বরে’, বিজেপি দ্বিতীয় এবং কংগ্রেস তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসবে, দলগুলির অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজমল বলেন, ‘‘আমরা এক নম্বরে, বিজেপি দুই নম্বরে এবং কংগ্রেস তিন নম্বরে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসবে, সবকিছু আরও পরিষ্কার হবে।’’

কংগ্রেসকেও কটাক্ষ করেন এআইইউডিএফ প্রধান। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস বারবার পুরনো অভিযোগ ও একই ধরনের প্রচার-ভাষণ সামনে আনছে। এমনকি কংগ্রেসকে তিনি ‘ছয় নম্বরে’ রয়েছে বলেও দাবি করেন। এই মন্তব্যের পক্ষে কোনও তথ্য বা সমীক্ষার উল্লেখ করেননি আজমল।

বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস শর্মার সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর প্রচেষ্টা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। মুসলিম ভোটারদের সঙ্গে টুপি পরে নামাজ পড়া বা তাঁদের সঙ্গে কথা বললেই আস্থা তৈরি হবে না বলে মন্তব্য করেন আজমল। তাঁর বক্তব্য, এর জন্য আরও গভীরভাবে তাঁদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে হবে।

নগাঁও উপনির্বাচনে নিজেই এআইইউডিএফের প্রার্থী আজমল। ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ভোটগণনা হবে। বর্তমানে মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। প্রধান প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির দেবাশিস শর্মা, কংগ্রেসের শিবামণি বরা এবং এআইইউডিএফের বদরুদ্দিন আজমল।

বুধবার প্রচারের অংশ হিসেবে নগাঁও লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন আজমল। রূপহীহাট বিধানসভা এলাকার হাতিজোয়া, নগাঁও-বটদ্রবা এলাকার শান্তিজান বাজার, ধিং বিধানসভা এলাকার কালা বাজার ও ধনিয়াভেটি পাওয়ালি বাজার এবং লাহরিঘাট এলাকার বরিবাজারে সভাগুলি হয়।

প্রচারসভাগুলিতে এআইইউডিএফের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি দলের একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ধিংয়ের প্রাক্তন বিধায়ক হাজি আমিনুল ইসলাম, জানিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক ড. রফিকুল ইসলাম, দলের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সরকার, শিবরাজ অসম এবং ছাত্র মোর্চার নেতা নাসিম আহমেদ।

ধুবড়ি লোকসভা কেন্দ্রের তিনবারের প্রাক্তন সাংসদ আজমল এবার নগাঁও থেকে ফের লোকসভায় যাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন। প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈ লোকসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে অসম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে দিসপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হওয়ার পর নগাঁও আসনটি শূন্য হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *