সোনাছড়া দলু নদীতে ইকো সেনসিটিভ জোন তোয়াক্কা না করে বন কর্মীদের সহযোগে এই লুণ্ঠন রাজ চালাচ্ছেন বন মাফিয়ারা
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
শিলচর প্রতিনিধি – বন কর্মীদের হাত করে বড়াইল অভয়ারণ্য থেকে অবাধে চলছে বালু পাথর পাচার। অভয়ারণ্যের সোনাছড়া দলু নদীতে ইকো সেনসিটিভ জোন তোয়াক্কা না করে বন কর্মীদের সহযোগে এই লুণ্ঠন রাজ চালাচ্ছেন বন মাফিয়ারা। মার খাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা বন বিভাগের কর।গুরুতর এই অভিযোগ জানাল স্থানীয় সনাতন সমবায় সমিতি।

শুধু তাই নয় নির্মীয়মান একটি সেতুর পিলারের নিচে থেকে অবৈধভাবে পাথর সংগ্রহের ফলে হুমকির মুখে নির্মাণ কাজ। অবৈধ এই লুটতরাজের মদতদাতার ভূমিকায় রয়েছে উদারবন বন বিভাগ। এর প্রমাণ পাওয়া যায় উদারবন্দ বন বিভাগের অন্তর্গত সোনাচোরা নদীতে গেলেই। সোনাছড়া নদীর যে জায়গা থেকে পাথর তোলা হচ্ছে সেই জায়গাটির ইকো সেনসিটিভ জোন এর আওতায় পড়ে।
ইন্দ্রনগর বিটের আওতায় এই এলাকার কিছুটা দূরত্বেই রয়েছে বড়াইল অভয়ারণ্য। সুতরাং এই নদী থেকে সরাসরি পাথর তোলা অসম্ভব। এছাড়া এখানে সরকারিভাবে নেই কোন বৈধ পাথর কোয়ারি। কিন্তু উদার বন্ধ কিছু বন কর্মীদের হাত করে লুণ্টন রাজ চালাচ্ছে পাথর মাফিয়ারা।
বিজ্ঞাপন
এমনই অভিযোগ করেন সত্য নগর গ্রামের সনাতন সমবায় কৃষি সমিতির সদস্যরা। তারা আরো জানান মাস দুয়েক আগে বি এফ ও তেজস মরিস্বামীর সঙ্গে দেখা করে অবৈধ এই লুণ্ঠনরাজের অভিযোগ জানান স্থানীয়রা।এলাকায় একটি সাইনবোর্ড লাগানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন ডি এফ ও।
কিছুদিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও পরিতাপের বিষয় আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি। স্থানীয়দের দাবি অবিলম্বে এই অবৈধ পাচার বন্ধ করতে হবে।


