রামকৃষ্ণনগর খন্ড উন্নয়ন কার্যালয়ে ত্রিনয়নী সিএলএফ এর পক্ষ থেকে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন ক্লাষ্টার লেবেল ফেডারেশন এর সভানেত্রী পূর্ণিমা দাস
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
ভারতের বর্তমান শাসকদল বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এই এই নীতিকে কাজে লাগাচ্ছে। মহিলাদের সম্মানে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিচ্ছে, কিন্তু অন্যদিকে সেই শাসকদলের সরকারি আমলারা মহিলাদেরকে অসম্মান করে বুক ঠুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। রামকৃষ্ণনগর খন্ড উন্নয়ন কার্যালয়ে ত্রিনয়নী সিএলএফ এর পক্ষ থেকে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন (ক্লাষ্টার লেবেল ফেডারেশন) এর সভানেত্রী পূর্ণিমা দাস, সম্পাদিকা সতি রানী নাথ সহ অসংখ্য সদস্যারা। তিনটি জিপি মিলে একটি ক্লাষ্টার লেবেল ফেডারেশন (সিএলএফ) তৈরি হয়। আর সেই সিএলএফ এর সভানেত্রী ও সম্পাদিকাকে রামকৃষ্ণনগর ব্লক কোডিনেটর সুমিত বৈষ্ণব বিভিন্ন ভাবে অসম্মান করেছেন বলে অভিযোগ উত্থাপন করেন।
সেই মর্মে ৩ মার্চ শুক্রবার রামকৃষ্ণনগর খন্ড উন্নয়ন কার্যালয় সম্মুখে সাময়িক ধর্ণা ধরে রামকৃষ্ণনগর খন্ড উন্নয়ন কার্যালয়ের আধিকারিককে উপস্থিত না পেয়ে একাউন্টেড সীমা দাসের হাতে একখানা অভিযোগ পত্র সমঝে দেন। সিএলএফ এর সভানেত্রী ও সম্পাদিকা সংবাদ মাধ্যমের সম্মুখে নিজেদের দুঃখের কথা তুলে ধরে জানান যে, বিভিন্ন ভাবে ব্লক কোডিনেটর সুমিত বৈষ্ণব উনাদেরকে হেনস্থা করে থাকেন। তাই উনারা সবাই ব্লক কোডিনেটর সুমিত বৈষ্ণবের তড়িঘড়ি বদলির দাবি করে একখানা অভিযোগ ও আবেদন পত্র দাখিল করেন।
আর যদি উনাদের দাবি পুরণ না হয় তাহলে রামকৃষ্ণনগর ব্লকের অন্তর্গত সব (এস এইচ জি) এর মহিলারা পদত্যাগ করবেন বলে দাবি রাখেন। মহিলাদের উপর হওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে কি কোনো পদক্ষেপ নেবে শাসকদল ? এই সংবাদ পরিবেশিত হওয়ার পর বিভাগীয় সরকারি আধিকারিকরা নীরব ভূমিকা পালন করবেন না অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্ৰহণ করবেন?


