মণিপুরে যৌথ অভিযানে ছয় সন্দেহভাজন জঙ্গি গ্রেফতার, উদ্ধার অস্ত্র-বিস্ফোরক

< 1 - মিনিট |

তেংনোপাল জেলায় জেলা পুলিশ ও অসম রাইফেলসের যৌথ বাহিনী সীমান্ত স্তম্ভ ৮৭-এর কাছে অভিযান চালিয়ে পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএ-র তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

ইম্ফল: মণিপুরের বিভিন্ন জেলায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ছয় সন্দেহভাজন সক্রিয় জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পৃথক অভিযানে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার তেংনোপাল জেলায় জেলা পুলিশ ও অসম রাইফেলসের যৌথ বাহিনী সীমান্ত স্তম্ভ ৮৭-এর কাছে অভিযান চালিয়ে পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএ-র তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিষ্ণুপুর জেলার ২১ বছরের নিংথৌজাম জেমস সিং ওরফে বিবারেল, কাকচিং জেলার ২৫ বছরের ক্ষেত্রিমায়ুম রুস্তান সিং ওরফে থোইহেনবা এবং এক নাবালক।

ইম্ফল পূর্ব জেলায় ইম্ফল ইস্ট কমান্ডো, জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর লাইট ইনফ্যান্ট্রির দ্বিতীয় ব্যাটালিয়ন এবং অষ্টম বিহার রেজিমেন্টের যৌথ বাহিনী লামলাই ওয়াংখেইচৌ এলাকা থেকে কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি-আপুনবা বা কেসিপি-আপুনবার দুই সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের পরিচয় ২২ বছরের নাংগোম লইজিংহেনবা মেইতেই ওরফে খাঙ্গানবা এবং ২৮ বছরের নাংগোম হেম্বা মেইতেই ওরফে ইয়েনাও হিসেবে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ২১ সেপ্টেম্বর থৌবাল কমান্ডো ও ৩১ অসম রাইফেলসের যৌথ অভিযানে আন্দ্রো এলাকা থেকে কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি-মিলিটারি ফরওয়ার্ড লিঙ্ক বা কেসিপি-এমএফএলের এক সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম বিষ্ণুপুর জেলার ২১ বছরের ইয়ুমনাম রামোস সিং ওরফে লাকপা।

এদিকে, বিষ্ণুপুর জেলা পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে প্যাটন এলাকা থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও ম্যাগাজিন, একটি দেশীয় কারবাইন মেশিনগান, একটি দেশীয় ৩২ ক্যালিবারের পিস্তল, একটি আইইডি, তিনটি ফ্র্যাগমেন্টেশন গ্রেনেড, একটি ৩৬ নম্বর হ্যান্ড গ্রেনেড এবং ৭.৬২ মিলিমিটারের ১৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্য একটি অভিযানে লামসাং থানার অন্তর্গত আখাম ও লামদেং গ্রামের কাছের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নয়টি ৯ মিলিমিটার পিস্তল, একটি দেশীয় ল্যাথোড বন্দুক, দুটি বোল্ট-অ্যাকশন সিঙ্গল-ব্যারেল বন্দুক, একটি ৩৬ নম্বর এইচই গ্রেনেড এবং পাঁচটি ট্যাকটিক্যাল সিঙ্গল ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের এবং উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ ও তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *