জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে থাকা ছাত্র ছাত্রীরা বক্তৃতা, অঙ্কন,কবিতা লিখন, মোবাইল ফটোগ্রাফি, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি প্রতিযোগিতা মূলক কার্যসূচীতে অংশ গ্রহণ করে
প্রকৃতি নিউজ কনসার্ন
হাইলাকান্দি : নেহরু যুব কেন্দ্র হাইলাকান্দি জেলা স্তরের যুব উৎসবের আয়োজন করেছে ।ভারত বর্ষ কে জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসনে অধিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে যুব সমাজ কেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আর এজন্য প্রধানমন্ত্রী পাঁচ প্রানের কথা লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন।
আর এখন এই পঞ্চমন্ত্র কে সামনে রেখে দেশব্যাপী নেহরু যুব কেন্দ্র যুব উৎসবের আয়োজন করে যাচ্ছে। আর এমর্মে ভারত বর্ষের বিভিন্ন জেলার সাথে সঙ্গতি রেখে শনিবার হাইলাকান্দি তে ও নেহরু যুব কেন্দ্র ও হাইলাকান্দি জেলা প্রশাসনের যৌথ ব্যাবস্থাপনায় যুব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে থাকা ছাত্র ছাত্রীরা বক্তৃতা, অঙ্কন,কবিতা লিখন, মোবাইল ফটোগ্রাফি, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি প্রতিযোগিতা মূলক কার্যসূচীতে অংশ গ্রহণ করে।
এদিনের অন্যান্য প্রতিযোগিতা ছাড়া একমাত্র সাংস্কৃতিক পর্বটি দলগত ভাবে আয়োজিত হলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিযোগিরা এতে অংশ গ্রহণ করে লোক সংস্কৃতির পসরা সাজিয়ে। বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন দীপিকা পুরকায়স্থ, ঋতুপর্ণা রায় ও নীলাচল নাথ। এতে প্রথম হয়েছে আনন্দময়ী ডান্স গ্রুপ, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে কাটলীছড়া নারী শক্তি এন জি ও এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে হাইলাকান্দি সুদর্শন মিউজিক একাডেমি।
এদিন স্থানীয় মহিলা কলেজে প্রদীপ প্রজ্বলন করেন জেলা প্রশাসনের পক্ষে সহকারী আয়ুক্ত প্রবীণ মাহাতু, সাংসদ প্রতিনিধি দিব্যেন্দু চন্দ, নেহরু যুব কেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর মেহবুব আলম লস্কর প্রমুখ। প্রবীণ চিত্র শিল্পী নীহারেন্দু চৌধুরী, অধ্যাপক রম্যব্রত চক্রবর্তী, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নন্দিনী ধর, মহিলা সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের প্রধান বনানী নাথ ভৌমিক, শতানন্দ ভট্টাচার্য প্রমুখ।
প্রত্যেকেই নেহরু যুব কেন্দ্রের উদ্যোগের সাধুবাদ জানান। মেহবুব আলম বলেন প্রতিটি জেলা থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী প্রথম দল এবং ব্যাক্তিকে পরবর্তী তে রাজ্য পর্যায়ে গুয়াহাটি তে অংশ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে পূজা পাল,দ্বিতীয় স্নিগ্ধা পাল ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে নারায়ণ দেব।বিচারক হিসেবে ছিলেন প্রবীন চিত্র শিল্পী নীহারেন্দু চৌধুরী, দীপক চক্রবর্তী ও দীপক সরকার।
কবিতা রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে সুজ্যতি কর দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে কে পদ্মিনী সিংহ এবং তৃতীয় রাজা মালাকার। বিচারকের দায়িত্ব ছিলেন নজরুল ইসলাম বড়ভূইয়া , বাপী নীহার দেবনাথ ও তীর্থঙ্কর চক্রবর্তী। এছাড়াও বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে সৌরভ সিংহ, দ্বিতীয় বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে আব্দুল আহাদ লস্কর।


