১৯৮০ সালে সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, অথচ তার আগে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
নয়াদিল্লি :ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে ফের শুনানির নির্দেশ দিল দিল্লির একটি আদালত। নিম্ন আদালতের এফআইআর না করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে মামলাটি নতুন করে বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠিয়েছে দ্বারকা আদালতের বিশেষ বিচারক বিশাল গগনে।
বিচারক জানান, নিম্ন আদালতের আগের নির্দেশটি যথাযথ কারণ উল্লেখ না করায় ‘নন-স্পিকিং অর্ডার’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মামলাটি ফের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্য শোনা এবং পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত-সংক্রান্ত তথ্য বিবেচনা করে কারণ-সহ নতুন নির্দেশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আবেদনকারী বিকাশ ত্রিপাঠীর অভিযোগ, ১৯৮০ সালে সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, অথচ তার আগে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগে নথি জালিয়াতিরও দাবি করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়েরের আবেদন করেছিলেন ত্রিপাঠী। অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গণ্য হয়নি।
বিশেষ বিচারক বলেন, এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হবে কি না, অথবা আইনি প্রক্রিয়ার অন্য কোনও পথে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে কি না—এই দুটি সম্ভাবনা বিবেচনা না করেই নিম্ন আদালত মূল অভিযোগের বদলে নাগরিকত্বের প্রশ্নে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলাটি আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর এসিজেএম আদালতে উঠবে। সেখানে নতুন করে শুনানির পর পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।
এর আগে নিম্ন আদালত ত্রিপাঠীর এফআইআরের আবেদন খারিজ করেছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি সেশনস আদালতে পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই নিম্ন আদালতের নির্দেশ খারিজ করে ফের শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


