‘কোনও আপস নয়, এটাই নতুন অসম’, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেপ্তার নিয়ে হুঁশিয়ারি হিমন্তের

< 1 - মিনিট |

ধুবড়িতে ৯ জনকে আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। পরবর্তী পদক্ষেপ, তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো।

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

গুয়াহাটি: অসমের ধুবড়ি জেলায় অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনরায় জানিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি, সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।

মঙ্গলবার রাতে সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আটক ব্যক্তিদের বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এবার তাঁদের ভারতের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে ধুবড়ি জেলার ঠিক কোন এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

পোস্টে হিমন্ত বিশ্বশর্মা লেখেন, অবৈধভাবে সীমান্ত পার হলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনও আপস করা হবে না। তাঁর কথায়, “এটাই নতুন অসম।”

রাজ্য সরকারের দাবি, অবৈধভাবে অসমে প্রবেশের চেষ্টা রুখতে দীর্ঘদিন ধরেই কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তবে নজরদারির ফাঁক গলে অনুপ্রবেশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় ধুবড়িতে ৯ জনকে আটক করার পর তাঁদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ২৬৭.৫ কিলোমিটার সীমান্ত অসমের

উল্লেখ্য, অসমের কাছাড়, ধুবড়ি এবং দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলা বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে। এই তিন জেলার সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ২৬৭.৫ কিলোমিটার।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আন্তঃসীমান্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রে অসমে রয়েছে শ্রীভূমি জেলার সুতারকান্দি সমন্বিত চেকপোস্ট বা আইসিপি। উত্তর-পূর্ব ভারতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এ ধরনের আরও দুটি সমন্বিত চেকপোস্ট রয়েছে—মেঘালয়ের ডাউকি এবং ত্রিপুরার আখাউড়া।

এ ছাড়া অসমের তামুলপুর জেলার দরঙ্গায় রয়েছে ভারত-ভুটান সীমান্তের একটি সমন্বিত চেকপোস্ট।

ধুবড়িতে ৯ জনকে আটকের ঘটনাকে সামনে রেখে সীমান্ত সুরক্ষায় কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে আটক ব্যক্তিদের পরিচয়, অনুপ্রবেশের নির্দিষ্ট পথ এবং তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *