‘৫০ বছর ধরে অসমকে রক্ষা করেছে উলফা’, বিতর্কিত মন্তব্য মন্ত্রী বিশ্বজিৎ দৈমারির

< 1 - মিনিট |

মরাণ-মটক জনগোষ্ঠীর অবদান তুলে ধরে উলফার প্রশংসা; পরেশ বরুয়াকে মটক সম্প্রদায়ের সদস্য বলেও উল্লেখ

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

তিনসুকিয়া: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব অসম (উলফা)-র প্রশংসা করে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিলেন অসমের মন্ত্রী বিশ্বজিৎ দৈমারি। তাঁর দাবি, গত পাঁচ দশক ধরে উলফা অসমকে রক্ষা করে এসেছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির মূল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মরাণ-মটক জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তিনসুকিয়া জেলার অসম-অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তবর্তী কাকোপথারের দিরাক নৱজ্যোতি গ্রামে মটক যুৱ-ছাত্ৰ সন্মিলনের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন দৈমারি। অনুষ্ঠানে তাঁকে ‘বেংমারা সমন্বয়’ সম্মানে ভূষিত করা হয়।

মরাণ-মটক জনগোষ্ঠীর ভূমিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “উলফার কারণেই কেউ অসমের গায়ে হাত দিতে পারেনি।” তাঁর বক্তব্য, সংগঠনটির মূল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উলফার সেনাপ্রধান পরেশ বরুয়ার প্রসঙ্গ টেনে দৈমারি বলেন, পরেশ বরুয়া মটক সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর মতে, গত পাঁচ দশকে মরাণ-মটক জনগোষ্ঠীর ভূমিকা না থাকলে অসমের পরিস্থিতি কী দাঁড়াত, তা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন।

উলফার দীর্ঘদিনের অস্তিত্ব ও সাংগঠনিক দৃঢ়তার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, গত ৫০ বছরে এমন কোনও শক্তি তৈরি হয়নি, যারা উলফাকে নাড়িয়ে দিতে পেরেছে।

মরাণ-মটক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানিত হওয়ার পর আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন দৈমারি। তাঁর বক্তব্যে সংগঠনটির প্রতি প্রশংসা এবং অসমের সাম্প্রতিক ইতিহাসে জনগোষ্ঠীটির ভূমিকা বিশেষভাবে উঠে আসে।

উল্লেখ্য, উলফার রাজনৈতিক ও সশস্ত্র কার্যকলাপ অসমের দীর্ঘদিনের সংঘাতের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। ফলে রাজ্যের একজন মন্ত্রীর মুখে সংগঠনটির ভূমিকা নিয়ে এমন মন্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক স্তরে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *