মাইবঙের গিডিংপুরের কাছে জঙ্গল থেকে উদ্ধার আধপচা দেহ, তিন দিন আগে দিয়ুং নদীতেও মিলেছিল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ; পরিচয় জানার চেষ্টা পুলিশের
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
ডিমা হাসাও:চার দিনের মধ্যে অসমের ডিমা হাসাও জেলায় দু’টি অজ্ঞাতপরিচয় দেহ উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। শুক্রবার মাইবং থানার অন্তর্গত গিডিংপুর গ্রামের কাছে জঙ্গল থেকে এক ব্যক্তির আধপচা দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে খুনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। তবে মৃতের পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুর প্রায় দেড়টা নাগাদ কয়েকজন গ্রামবাসী জঙ্গলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেহটি দেখতে পান। দেহটি আধপচা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে মাইবং থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সঙ্গে ছিলেন মাইবঙের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রাহুল কলিতা এবং ডিমা হাসাওয়ের পুলিশ সুপার রিপুঞ্জয় কাকতি। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ডিফু মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি মৃতের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
পুলিশের সন্দেহ, ঘটনাটি খুনের হতে পারে। তবে কীভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, দেহটি কত দিন ধরে জঙ্গলে পড়েছিল কিংবা ঘটনার সঙ্গে কারও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীরা সব দিক খতিয়ে দেখছেন।
তিন দিন আগেও নদীতে মিলেছিল দেহ
শুক্রবারের উদ্ধারের মাত্র তিন দিন আগে, ২০ অক্টোবর, দিয়ুং নদী থেকেও এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়েছিল। নিউ হাফলং রেলস্টেশনের কাছে একটি রেলসেতুর সংলগ্ন এলাকা থেকে দেহটি উদ্ধার করা হয়। সেই ব্যক্তির পরিচয়ও এখনও জানা যায়নি।
অল্প সময়ের ব্যবধানে একই জেলায় দু’টি অজ্ঞাতপরিচয় দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি।
দুই মৃতের পরিচয় শনাক্ত করা এবং মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ এখন তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শুক্রবার উদ্ধার হওয়া দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেও নজর রয়েছে পুলিশের।


