শ্রীভূমিতে বিহু দলের উপর হামলা, পুলিশি পদক্ষেপের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

< 1 - মিনিট |

দুর্গাপুজোর অনুষ্ঠানে অসমীয়া গান বাজানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের অভিযোগ; শিল্পীদের মারধর, বাদ্যযন্ত্র ভাঙচুর ও সোনার হার ছিনতাইয়ের দাবি। ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হিমন্ত বিশ্বশর্মার।

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

শ্রীভূমি:শ্রীভূমিতে একটি বিহু দলের সদস্যদের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। রবিবার ঘটনার নিন্দা করে তিনি রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশককে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। দুর্গাপুজোর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অসমীয়া গান বাজানো নিয়ে আপত্তিকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটিকে ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বিহু অসমের আত্মা, আমাদের গর্ব ও পরিচয়। আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অপমান কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”

প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর শ্রীভূমির হিন্দুস্তান ক্লাব আয়োজিত দুর্গাপুজোর অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। সেখানে পরিবেশনার জন্য একটি বিহু দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অভিযোগ, অনুষ্ঠানে অসমীয়া গান বাজানো নিয়ে একদল ব্যক্তি আপত্তি জানান। এরপর বিহু দলের সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের বচসা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি মারধর পর্যন্ত গড়ায়।

অভিযোগ, সংঘর্ষে দলের সব সদস্যই গুরুতর আহত হন। হামলার সময় কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী বিহুর বাদ্যযন্ত্র ভাঙচুর করা হয় এবং কিছু যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। দলের এক তরুণ সদস্যের সোনার হার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে আহতদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, অভিযুক্তদের পরিচয় এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট নয়।

ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের শীর্ষ কর্তাকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। এখন তদন্তের মাধ্যমে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, হামলার অভিযোগের সত্যতা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা নির্ধারণ করা জরুরি।

এই ঘটনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কোনও গান বা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে তার সমাধান আইনসম্মত উপায়ে হওয়া উচিত—হামলা বা ভাঙচুরের অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা তাই গুরুত্বপূর্ণ।

পুলিশের তরফে বিস্তারিত বিবৃতি ও তদন্তের অগ্রগতি এখনও জানা যায়নি। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *