মুখ ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং মোবাইল ফোনের অনুপস্থিতি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে ফোনটি কখন বা কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত বা তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
লামডিং:অসমের লামডিংয়ের কালীবাড়ি শান্তিপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে রবিবার সকালে ৩৫ বছর বয়সি তারা কুর্মির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর মুখ ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বাড়ি থেকে তাঁর মোবাইল ফোনটিও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
লামডিংয়ের ২ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মুখ ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং মোবাইল ফোনের অনুপস্থিতি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে ফোনটি কখন বা কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত বা তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।
তারা কুর্মির বোন জানিয়েছেন, ঘটনার আগে কী হয়েছিল, সে সম্পর্কে পরিবারের কাছে স্পষ্ট কোনও তথ্য নেই। ফোনে তাঁকে জানানো হয়েছিল, তারা ঘুম থেকে উঠছেন না। সেই খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে এসে বোনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
তাঁর কথায়, “বোন উঠছে না বলে ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি, সে মারা গিয়েছে। কী ঘটেছে আমরা জানি না। কাউকে সন্দেহও করছি না।”
মৃতার একটি ছেলে রয়েছে এবং তাঁর স্বামী বোকাজানে থাকেন বলেও জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
এক স্থানীয় বাসিন্দার বক্তব্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘটনাটি সম্পর্কে খবর পাওয়া যায়। ওই বাসিন্দাও বাড়িতে গিয়ে মহিলাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত
পুলিশ ঘটনার আগের পরিস্থিতি এবং মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের চেষ্টা করছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও মোবাইল ফোন নিখোঁজ থাকার বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে।
এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। পুলিশের তদন্তের পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।


