বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের উদ্দেশে রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ কণাদ পুরকায়স্থের চিঠি
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
প্রিয় অমিত মালব্যজি, দিল্লি পুলিশের চিঠি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়ার প্রতিবাদ করে আপনি একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন। যে চিঠিতে বাংলাকে ‘বাংলাদেশি ভাষা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেকেই এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ফেলেছেন। তাই আমি আর এই বিতর্কে জড়াচ্ছি না।
কিন্তু ওই পোস্টে যেখানে আপনি সিলেটি উপভাষাকে ভারতীয় বাঙালিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন, সে সম্পর্কে আমি মনে করি আপনি এটা জানেন, কম করেও পঞ্চাশ লক্ষ সিলেটি ভাষি বাঙালি ভারতে বসবাস করেন। আর তাঁরাই বরাক উপত্যকার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী।
বরাক উপত্যকা ছাড়াও ত্রিপুরা, অসমের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গেও বহু সিলেটি ভাষি বাঙালি রয়েছেন।
এই মুহূর্তে সংসদে তিনজন প্রতিনিধি আমি, সুস্মিতা দেব ও পরিমল শুক্লবৈদ্য সিলেটিকেই প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে থাকি। অসম ও ত্রিপুরার বহু বিধায়কও সিলেটিতে কথা বলেন।
অসম সরকারের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালও সিলেটিতেই কথা বলে থাকেন। স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পাল ছিলেন সিলেটি ভাষি। ড. বিআর আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সভার সদস্য নিবারণচন্দ্র লস্কর সিলেটিতে কথা বলতেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী তথা বরেণ্য শিক্ষাবিদ ড. ত্রিগুণা সেনও সিলেটিভাষি ছিলেন।
সিলেটি ভাষি কমলা ভট্টাচার্য প্রথম মহিলা ভাষা শহিদ। এছাড়াও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেব ও আরেক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আমার পিতা কবীন্দ্র পুরকায়স্থও সিলেটিতে কথা বলেন। আজকের দিনে দশ জনের বেশি সাংসদ রয়েছেন যারা সিলেটিতে কথা বলে থাকেন। যেহেতু এই বিতর্ক পঞ্চাশ লক্ষেরও বেশি মানুষকে আঘাত করেছে, তাই সবার জানার জন্য এই কথাগুলো আমি তুলে ধরলাম।’
সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো মূল ইংরেজিতে লেখা বিবৃতির বাংলায় অনুদিত ও সম্পাদিত অংশ এখানে তুলে ধরা হল।

Know More – Apply Here


